পাতা:শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ কথামৃত পঞ্চম ভাগ.djvu/১৮৯

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


›ዓ8 শ্ৰীহীরামকৃষ্ণ কথামৃত—৫ম ভাগ [ ১৮৮৫, ফেব্রুয়ারী ২২ শ্রীরামকৃষ্ণ-গান গাইব ? থুথু (মৃত্যগোপালের প্রতি)—তুই কি বলিস্ ? উদ্দীপনের জন্ত শুনতে হর ; তারপর কি হলো আর কি গেল । “আগুন জেলে দিলে ; সে ত বেশ । তারপর চুপ। বেশ তো, আমিও তো চুপ করে আছি, তুইও চুপ করে থাক।” *আনন্দরসে মগ্ন হওয়া নিয়ে কথা ।” “গান গাইব ? আচ্ছা, গাইলেও হয়। জল স্থির থাকলেও জল আর হেললে দুললেও জল ।” [ নরেন্দ্রকে শিক্ষা—“জ্ঞান অজ্ঞানের পার হও ” ] নরেন্দ্র কাছে বসিয়া আছেন। তার বাড়ীতে কষ্ট, সেই জন্ত তিনি সৰ্ব্বদ। চিন্তিত হইয়া থাকেন। র্তার সাধারণ ব্রাহ্ম সমাজে যাতায়াত ছিল। এখনও সৰ্ব্বদা জ্ঞান বিচার করেন, বেদাস্তাদি গ্রন্থ পড়িবার খুব-ইচ্ছা, এক্ষণে বয়স ২৩ বৎসর হইবে । ঠাকুর নরেন্দ্রকে একদৃষ্টে দেখিতেছেন। শ্রীরামকৃষ্ণ (সহস্তে, নরেন্দ্রের প্রতি )—তুই ত ‘খ’ ( আকাশবং ) ; তবে যদি টেকৃসো ( tax অর্থাৎ বাড়ীর ভাবনা ) না থাকৃত । ( সকলের হাস্ত ) ৷ “কৃষ্ণকিশোর বলতে, ‘আমি খ’। একদিন তার বাড়ীতে গিয়ে দেখি, সে চিস্তিত হয়ে বসে আছে ; বেশী কথা কচ্ছে না। আমি জিজ্ঞাসা করলুম, কি হয়েছে গা, এমন করে বসে রয়েছ কেন ? সে বল্লে 'টেকৃসোওয়ালা এসেছিল ; সে বলে গেছে, টাকা যদি না দাও তাহলে ঘটি বাটি সব নিলাম করে নিয়ে যাব ; তাই আমার ভাবনা হয়েছে। আমি হাসতে হাসতে বললাম, —সে কি গো, তুমি ত ‘খ’ আকাশবৎ। যাক শালার ঘট বাট নিয়ে যাকৃ, তোমার কি ?” “তাই তোকে বলছি, তুই ত ‘খ’—এত ভাবছিস্ কেন ? কি জানিস এমনি আছে, শ্ৰীকৃষ্ণ অর্জুনকে বলছেন, অষ্টসিদ্ধির একটি থাকলে কিছু শক্তি হতে পারে, কিন্তু আমায় পাবে না ? সিদ্ধাইএর দ্বারা বেশ শক্তি, বল, টাকা, এই সব হতে পারে, কিন্তু ঈশ্বরকে লাভ হয় না।”