পাতা:শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ কথামৃত পঞ্চম ভাগ.djvu/১৯০

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


দক্ষিণেশ্বরে—জন্ম-মহোৎসব দিবসে—ভক্তসঙ্গে እ ዓ¢ “আর একটি কথা—জ্ঞান অজ্ঞানের পার হও। অনেকে বলে অমুক বড় জ্ঞানী ; বস্তুতঃ তা নয়। বশিষ্ঠ এত বড় জ্ঞানী, পুত্ৰশোকে অস্থির হয়েছিল ; তখন লক্ষ্মণ বল্লেন, “রাম, একি আশ্চৰ্য্য ! ইনিও এত শোকাওঁ!” রাম বল্লেন,—“ভাই, যার জ্ঞান আছে, তার অজ্ঞানও আছে ; যার আলো বোধ আছে, তার অন্ধকার বোধও আছে ; যার ভাল বোধ আছে, তার মন্দ বোধও আছে ; যার মুখ বোধ আছে, তার দুঃখ বোধও আছে। ভাই, তুমি দুইএর পারে যাও, সুখ দুঃখের পারে যাও, জ্ঞান অজ্ঞানের পারে যাও । তাই তোকে বলছি, জ্ঞান অজ্ঞানের পার হও।” তৃতীয় পরিচ্ছেদ গ্রীরামকৃষ্ণ ভক্তসসে—মুরেন্দ্রের প্রতি উপদেশ গৃহস্থ ও দানধৰ্ম্ম—মনোযোগ ও কৰ্ম্মযোগ ঠাকুর ত্রীরামকৃষ্ণ আবার ছোট খাটটতে আসিয়া বসিয়াছেন। ভক্তেরা এখনও মেজেতে বসিয়া আছেন। স্বরেন্দ্র তাহার কাছে বসিয়া আছেন। ঠাকুর তাহার দিকে সমেহে দৃষ্টিপাত করিতেছেন ও কথাচ্ছলে র্তাহাকে নানা উপদেশ দিতেছেন। শ্রীরামকৃষ্ণ (স্বরেন্ধের প্রতি )–মাঝে মাঝে এসো। দ্যাংটা বলতে, ঘটি রোজ মাজতে হয় ; তা না হলে কলঙ্ক পড়বে। সাধুসঙ্গ সৰ্ব্বদাই দরকার । “সন্ন্যাসীর পক্ষে কামিনী কাঞ্চন ত্যাগ ; তোমাদের পক্ষে তা নয়। তোমরা মাঝে মাঝে নির্জনে যাবে আর তাকে ব্যাকুল হয়ে ডাকৃবে। ভেনয় মনে ত্যাগ করবে । L “বীর ভক্ত না হলে দু দিক রাখতে পারে না ; জনক রাজা সাধন