পাতা:শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ কথামৃত পঞ্চম ভাগ.djvu/২০০

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


গিরীশ-মন্দিরে জ্ঞান-ভক্তি-সমন্বয়-কথা প্রসঙ্গে Ꮌby☾ তীর নাম করছি আমার আবার পাপ কি? তুমি আমার আপনার মা, দেখা দিতেই হবে। গিরীশ (সহান্তে )–ভক্তির তম: আপনিই তো শেখান। শ্রীরামকৃষ্ণ (সহস্তে )—তাকে দর্শন করবার কিন্তু লক্ষণ আছে। সমাধি হয়। সমাধিপাঁচ প্রকার; ১ম –পিপড়ার গতি মহাবায়ু উঠে পিপড়ের মত। ২য় –মীনের গতি, ৩য় ;–তীর্য্যক গতি ; ৪র্থ ;–পাখীর গতি ; পার্থী যেমন এ ডাল থেকে ও ডালে যায় ; ৫ম:—কপিবং, বানরের গতি ; মহাবায়ু যেমন লাফ দিয়ে দিয়ে মাথায় উঠে গেল আর সমাধি হল। “আবার দু রকম আছে; ১ম –স্থিত সমাধি; একেবারে বাহশূন্ত ; অনেকক্ষণ, হয়ত অনেকদিন, রইল। ২য় –উন্মনা সমাধি ; হঠাৎ মনটা চার দিক থেকে কুড়িয়ে এনে ঈশ্বরেতে যোগ করে দেওয়া। [ উন্মনা-সমাধি ও মাষ্টার ] (মাষ্টারের প্রতি)—তুমি ওটা বুঝেছ ? মাষ্টার-আজ্ঞে ই৷ ঐরামকৃষ্ণ-নানা রকমে তাকে লোকে লাভ করেছে। কেউ অনেক তপস্ত সাধন ভজন করে ; সাধন সিদ্ধ। কেউ জন্মাবধি সিদ্ধ ; যেমন নারদ শুকদেবাদি; এদের বলে নিত্য-সিদ্ধ। আবার আছে হঠাৎ সিদ্ধ; হঠাৎ লাভ করেছে! যেমন হঠাৎ কোন আশা ছিল না, কেউ নন্দ বসুর মত বিষয় পেয়ে গেছে।