পাতা:শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ কথামৃত পঞ্চম ভাগ.djvu/২০৭

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


>>रे শ্ৰীশ্রীরামকৃষ্ণ কথামৃত—৫ম ভাগ [ ১৮৮৫, ১৭শ খণ্ড ঠাকুর ধাতু স্পর্শ করিতে পারিতেছেন না। অবতার বুঝি মায়ার ঐশ্বৰ্য্য কিছুই ভোগ করেন না, তাই কি ঠাকুর এই সব কথা বলিতেছেন ? শ্রীরামকৃষ্ণ (মাষ্টারের প্রতি )—আচ্ছা, আমার অবস্থা কিছু বদলাচ্ছে: দেখ ছ ? মাষ্টার—আজ্ঞা, কই ? শ্রীরামকৃষ্ণ—কার্য্যে ? মাষ্টার—এখন কাজ বাড়ছে—যত লোক জানতে পারছে। শ্রীরামকৃষ্ণ—দেখ ছ ! আগে যা বলুতুম এখন ফল্‌ছে ? ঠাকুর কিয়ৎকাল চুপ করিয়া থাকিয়া হঠাৎ বলছেন, “আচ্ছ, পন্টর ভাল ধ্যান হয় না কেন ? [foláti f assi—cofoil aff, The Lords message of hope For so-called “Sinners' ] এইবার ঠাকুরের দক্ষিণেশ্বর যাইবার উদযোগ হইতেছে। ঠাকুর কোন ভক্তের কাছে গিরীশের সম্বন্ধে বলেছিলেন, ‘রসুন গোল বাটি হাজার ধোও রসুনের গন্ধ কি একেবারে যায় ? গিরীশও তাই মনে মনে অভিমান করিয়াছেন ; যাইবার সময় গিরীশ ঠাকুরকে কিছু নিবেদন করিতেছেন। গিরীশ ( শ্রীরামকৃষ্ণের প্রতি )—রস্থনের গন্ধ কি বাবে ? শ্রীরামকৃষ্ণ—যাবে। গিরীশ—তবে বল্লেন যাবে’ ? শ্রীরামকৃষ্ণ—অত আগুন জল্‌লে গন্ধ ফন্ধ পালিয়ে যায়। রমুনের বাটি, পুড়িয়ে নিলে আর গন্ধ থাকে না, নুতন হাড়ী হয়ে যায়। “যে বলে আমার হবে না, তার হয় না। মুক্ত অভিমানী মুক্তই হয়,আর বদ্ধ-অভিমানী বদ্ধই হয়। যে জোর করে বলে আমি মুক্ত হয়েছি, সে মুক্তই হয় ! যে রাত দিন “আমি বদ্ধ, আমি বদ্ধ’ বলে সে বদ্ধই হ’য়ে যায় !