পাতা:শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ কথামৃত পঞ্চম ভাগ.djvu/২০৮

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


অষ্টাদশ খণ্ড গ্ৰথম পরিচ্ছেদ (মীনাবলম্বী গ্রীরামকৃষ্ণ ও মায়াদর্শন ঠাকুর ত্রীরামকৃষ্ণ দক্ষিণেশ্বরমন্দিরে সকাল ৮টা হইতে বেলা ৩টা পৰ্য্যস্ত মৌন অবলম্বন করিয়া রছিয়াছেন। আজ মঙ্গলবার ১১ই আগষ্ট, ১৮৮৫ খ্ৰী: , গতকল্য সোমবার অমাবস্তা গিয়াছে। ত্রীরামকৃষ্ণের অসুখের সঞ্চার হইয়াছে ; তিনি কি জানিতে পারিয়াছেন যে, শীঘ্র তিনি ইহলোক পরিত্যাগ করিবেন ? জগন্মাতার ক্রোড়ে আবার গিয়া বসিবেন ? তাই কি মৌনাবলম্বন করিয়া রহিয়াছেন ? তিনি কথা কহিতেছেন না দেখিয়া শ্ৰীশ্ৰীমা কাদিতেছেন ; রাখাল ও লাটু কাদিতেছেন , বাগবাজারের ব্রাহ্মণীও এই সময় আসিয়াছিলেন, তিনিও কাদিতেছেন। ভক্তেরা মাঝে মাঝে জিজ্ঞাসা করিতেছেন, আপনি কি বরাবর চুপ করিয়া থাকিবেন ? শ্রীরামকৃষ্ণ ইঙ্গিত করিয়া বলিতেছেন, ‘না’। নারাণ আসিয়াছেন, বেলা ৩টার সময়, ঠাকুর নারাণকে বলিতেছেন, ‘ম। তোর ভাল করবে।’ নারাণ আনন্দে ভক্তদের সংবাদ দিলেন, "ঠাকুর এইবার কথা কহিয়াছেন।” রাখালাদি ভক্তদের বুক থেকে যেন একখানি পাথর নামিয়া গেল। উহার সকলে ঠাকুরের কাছে আসিয়া বসিলেন । স্ত্রীরামকৃষ্ণ (রাখালাদি ভক্তদের প্রতি –মা দেখিয়ে দিচ্ছিলেন যে, সবই মায়া! তিনিই সত্য, আর যা কিছু সব মায়ার ঐশ্বৰ্য্য। আর একটি দেখলুম ভক্তদের কার কতটা হয়েছে। নারাণাদি ভক্ত—আচ্ছ, কার কতদূর হয়েছে ? ঐরামকৃষ্ণ–এদের সব দেখলাম-নিত্যগোপাল রাখাল, নারাণ, পূর্ণ মহিমা চক্ৰবৰ্ত্তী প্রভৃতি। ՖՎՉ-ն ձI