পাতা:শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ কথামৃত পঞ্চম ভাগ.djvu/২১১

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


তৃতীয় পরিচ্ছেদ অমুম্ব গ্রীরামকৃষ্ণ ও ডাক্তার রাখাল—ভক্তসঙ্গে নৃত্য ত্রীরামকৃষ্ণ দক্ষিণেশ্বর মন্দিরে ভক্তসঙ্গে নিজের ঘরে বসিয়া আছেন। রবিবার, ২০শে সেপ্টেম্বর ১৮৮৫ খৃ:, ৫ই আশ্বিন ; শুক্লাএকাদশী। নবগোপাল, হিন্দুস্কুলের শিক্ষক হরলাল, রাখাল, লাটু প্রভৃতি ; কীৰ্ত্তনীয়া গোস্বামী ; অনেকেই উপস্থিত। বহুবাজারের রাখাল ডাক্তারকে সঙ্গে করিয়া মাষ্টার আসিয়া উপস্থিত ; ডাক্তারকে ঠাকুরের অমুখ দেখাইবেন। ডাক্তারটি ঠাকুরের গলায় কি অমুখ হইয়াছে দেখিতেছেন। তিনি দোহারা লোক ; আঙ্গুলগুলি মোটামোটা। প্রীরামকৃষ্ণ (সহস্তে, ডাক্তারের প্রতি )—যারা এমন এমন করে (অর্থাৎ, কুস্তি করে) তাদের মত তোমার আঙ্গুল। মহেন্দ্র সরকার দেখেছিল কিন্তু, জিভ, এমন জোরে চেপেছিল যে ভারি যন্ত্রণা হয়েছিল ; যেমন গরুর জিভ, চেপে ধরেছে। ডাক্তার রাখাল—আজ্ঞা, আমি দেখছি আপনার কিছু লাগবে না। ডাক্তার ব্যবস্থা করার পর শ্রীরামকৃষ্ণ আবার কথা কহিতেছেন। [ ত্রীরামকৃষ্ণের রোগ কেন ? ] ত্রীরামকৃষ্ণ (ভক্তদের প্রতি )—আচ্ছা, লোকে বলে, ইনি যদি এত ( এত সাধু)—তবে রোগ হয় কেন ? তারক-ভগবান দাস বাবাজী অনেক দিন রোগে শয্যাগত হয়েছিলেন। , শ্রীরামকৃষ্ণ—মধু ডাক্তার, ষাট বছর বয়সে রাড়ের জন্ত তার বাসায় ভাত নিয়ে যাবে ; এদিকে নিজের কোন রোগ নাই। গোস্বামী—আজ্ঞা, আপনার যে অমুখ সে পরের জন্ত ; যারা আপনার কাছে আসে তাদের অপরাধ আপনার নিতে হয়, সেই সকল অপরাধ, পাপ । লওয়াতে আপনার অমুখ হয়।