পাতা:শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ কথামৃত পঞ্চম ভাগ.djvu/২১৪

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


পরিশিষ্ট গ্রীরামকৃষ্ণ ও নরেন্দ্র ( স্বামী বিবেকানন্দ ) [Vivekananda in America and in Europe J গ্ৰথম পরিচ্ছেদ ৮রথযাত্রার পরদিন, ১৮৮৫ খৃষ্টাব্দ, আষাঢ়—সংক্রাস্তি। শ্ৰীশ্ৰীভগবান শ্রীরামকৃষ্ণ বলরাম-মন্দিরে সকালবেলা ভক্তসঙ্গে বসিয়া আছেন। নরেজের ( স্বামী বিবেকানন্দের ) মহত্ত্ব-কথা বলিতেছেন— [ FICHIGH NEG “A prince among men’ ] “নরেন্দ্রের খুব উঁচু ঘর—নিরাকারের ঘর। পুরুষের সত্তা। এত ভক্ত আসছে, ওর মত একটিও নাই।” “এক একবার ব’সে বসে আমি খতাই । তা দেখি, অন্ত পদ্ম কারুর দশদল, কারুর ষোড়শদল, কারুর শতদল ; কিন্তু পদ্মমধ্যে নরেন্দ্র সহস্রদল ।” “অন্তের, কলসী, ঘট এ সব হ’তে পারে ; নরেন্দ্র জালা।” “ডোবা পুষ্করিণীর মধ্যে নরেন্দ্র বড় দীঘি। যেমন হালদার পুকুর।” “মাছের মধ্যে নরেন্দ্র রাঙ্গাচক্ষু বড় রুই, আর সব নানারকম মাছ—পোনা কাঠ-বাট এই সব।” Q “খুব আধার,—অনেক জিনিষ ধরে! বড় ফুটোওলা বঁাশ ।” $ নিরেজ কিছুর বশ নয়। আসক্তি, ইন্দ্রিয়সুখের বশ নয়। পুরুষ পায়রা। পুরুষ পায়রার ঠোট ধরলে ঠোঁট টেনে ছিনিয়ে লয়—মাদী পায়রা চুপ করে থাকে ৷” [ আগে ঈশ্বরলাভ—আদেশ হ’লে লোকশিক্ষা ] তিন বৎসর পূৰ্ব্বে ( ১৮৮২ খৃঃ অঃ ) নরেন্দ্র দু একটি ব্রাহ্মবন্ধু সঙ্গে দক্ষিণেশ্বরে শ্রীরামকৃষ্ণকে দর্শন করিতে আসিয়াছিলেন। রাত্রিতে ঐখানেই ছিলেন। প্রত্যুষ হইলে ঠাকুর বলিলেন, “যাও পঞ্চবটীতে ধ্যান কর গিয়ে।”