পাতা:শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ কথামৃত পঞ্চম ভাগ.djvu/২১৬

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


আগে ঈশ্বরলাভ—আদেশ হলে লোক শিক্ষা २० * পণ্ডিত শশধরের দেখা হয়। নরেজ উপস্থিত ছিলেন। শ্রীরামকৃষ্ণ পণ্ডিতকে বলিলেন, “তুমি লোকের মঙ্গলের জন্ত বক্তৃতা ( lecture ) ক’রছ, তা বেশ । কিন্তু বাবা, ভগবানের আদেশ ব্যতিরেকে লোকশিক্ষা হয় না। ঐ দুদিন লোক তোমার লেকৃচার শুনবে তারপর ভুলে যাবে। হালদার পুকুরের পাড়ে লোকে বাহে করত লোক গালাগুলি দিত কিন্তু কিছুই ফল হয় নাই। অবশেষে সরকার যখন একটি নোটীশ ( Notice ) মেরে দিল, তখন তা’ বন্ধ হ’ল। তাই ঈশ্বরের আদেশ না হ’লে লোকশিক্ষা হয় না।” তাই নরেন্দ্র গুরুদেবের কথা শিরোধাৰ্য্য করিয়া সংসার ত্যাগ করিয়া নির্জনে গোপনে অনেক তপস্যা করিয়াছিলেন । অতঃপর তাহার শক্তিতে শক্তিমান হইয়া এই লোক শিক্ষাব্রত অবলম্বন করিয়া দুরূহ প্রচার কাৰ্য্যে হস্তক্ষেপ করিয়াছিলেন। কাশীপুরে যখন ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ পীড়িত হইয়া আছেন ( ১৮৮৬ খ্ৰী: অঃ ), একদিন একটি কাগজে লিখিয়াছিলেন—“নরেন্দ্র শিক্ষে দিবে।” স্বামী বিবেকানন্দ মাদ্রাজীদের নিকট আমেরিকা হইতে পত্র লিখিয়াছেন। তাহাতে লিখিয়াছেন যে, তিনি শ্রীরামকৃষ্ণের দাস , তাহারই দূত হইয়া তাহার মঙ্গলবাৰ্ত্ত তিনি সমগ্র জগৎকে বলিয়াছেন। “It was your generous appreciation of him whose message to India and to the whole world, I, the most unworthy of his servants, had the privilege to bear ; it was your innate spiritual instinct which saw in him and his message the first murmurs of that tidal wave of spirituality which is destined at no distant future to break upon India in all its irresistible powers' etc.; —Reply to the Madras Address. মাত্রাজে তৃতীয় বক্তৃতায় বলিয়াছিলেন যে, আমি সারগর্ভ যাহা কিছু বলিয়াছি, সমস্তই পরমহংসদেবের, অসার যদি কিছু বলিয়া থাকি, সে সব আমার—