পাতা:শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ কথামৃত পঞ্চম ভাগ.djvu/২৩০

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


শ্রীরামকৃষ্ণ, নরেজ, কৰ্ম্মযোগ ও স্বদেশহিতৈষণা—হিমালয় ২১৫ ও এই পৃথিবীর মানসম্রমের দিকে, যাহারা ঈশ্বর দর্শন জীবনের উদ্দেশু শুনিয়া অবাক হয়, তাহারা স্বদেশহিতৈষিতার এই মহান উচ্চ আদর্শ কিরূপে গ্রহণ করিবে ? স্বামী স্বদেশের জন্ত কঁাদিতেন বটে, কিন্তু সঙ্গে সঙ্গে সৰ্ব্বদা এটিও মনে রাখিতেন যে এই অনিত্য সংসারে ঈশ্বরই বস্তু আর সব অবস্তু। স্বামী বিলাত হইতে ফিরিবার পর হিমাচল দর্শন করিতে আলমোড়ায় গিয়াছিলেন । আলমোড়াবাসীরা তাহাকে সাক্ষাৎ নারায়ণ বোধে পূজা করিতে লাগিলেন। স্বামী, নগাধিরাজ দেবতাত্মা হিমগিরির অত্যুচ্চ শৃঙ্গাবলী সন্দর্শন করিয়া ভাবে বিভোর হইয়া রছিলেন। বলিলেন, আজ এই পবিত্র উত্তরাখণ্ডে সেই পবিত্র তপোভূমি দেখিতেছি, যেখানে ঋষিগণ সৰ্ব্বত্যাগ করিয়া, এই সংসারের কোল:হল হইতে প্রস্থান করিয়া নিশিদিন ঈশ্বরচিন্তা করিতেন। তাছাদেরই শ্ৰীমুখ হইতে বেদমন্ত্র বিনির্গত হইয়াছিল। হায় ! কবে আমার সে দিন হইবে ? আমার কতকগুলি কাজ করিবার ইচ্ছা আছে বটে, কিন্তু এই পবিত্র ভূমিতে অনেকদিন পরে আবার আসিবার পর সকল বাসনা এককালে অন্তৰ্হিত হইতেছে। ইচ্ছা হয়, বিরলে বসিয়া শেষ কয়দিন হরিপাদপদ্ম চিস্তায় গভীর সমাধিমধ্যে নিমগ্ন হইয়া কাটাইয়া যাই । “It is the hope of my life to end my days somewhere: within this Father of Mountains, where Rishis lived— where Philosophy was born.” [Speech at Almora. হিমালয় দেখিলে আর কৰ্ম্ম করিতে ইচ্ছা হয় না—মনে এক চিস্তার উদয় হয়—কৰ্ম্মসন্ন্যাস । => As peak after peak of this Father of Mountains began to appear before my sight, all those propensities to work, that ferment that had been going on in my brain for years seemed to quiet down and mind reverted to that one eternal theme which the Himalayas always teach us, the one theme which is reverberating in the very atmosphere of the place, the one theme that I hear in the rushing whirlpools of its rivers—Renuciation.” o এই কৰ্ম্ম-সন্ন্যাস, এই ত্যাগ, করিতে পারিলে মানুষ অভয় হয়—আর সকল বস্তুই ভয়াবহ ।