পাতা:শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ কথামৃত পঞ্চম ভাগ.djvu/২৫৪

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ঐরামকৃষ্ণ, স্বামী বিবেকানন্দ ও অবতারবাদ ఇరి শ্রীরামকৃষ্ণ–কিন্তু খুব বিশ্বাস ! দেখেছিস্ ? কিছুদিন পরে নরেক্তের সঙ্গে ঠাকুরের অবতার বিষয়ের কথা হইল। ঠাকুর বলিতেছেন,—“আচ্ছা, কেউ যে আমাকে ঈশ্বরের অবতার বলে, তোর কি বোধ হয় ?” নরেন্দ্র বললেন, “অন্তের মত শুনে আমি কিছু করব না ; আমি নিজে যখন বুঝব, নিজের যখন বিশ্বাস হবে, তখনই বলব।” কাশীপুর উদ্যানে ঠাকুর যখন ক্যানসার রোগে যন্ত্রণায় অস্থির হইয়াছেন, ভাতের তরল মও পৰ্য্যস্ত গলাধঃকরণ হইতেছে না, তখন একদিন নরেন্দ্র ঠাকুরের নিকট বসিয়া ভাবিতেছেন, এই যন্ত্রণামধ্যে যদি বলেন যে, আমি সেই ঈশ্বরের অবতার তা হলে বিশ্বাস হয়। চকিতের মধ্যে ঠাকুর বলিতেছেন,—“যে রাম যে কৃষ্ণ ইদানীং সে-ই রামকৃষ্ণরূপে ভক্তের জন্ত অবতীর্ণ হয়েছে।” নরেন্দ্র এই কথা শুনিয়া অবাক হইয়া রহিলেন। ঠাকুর স্বধামে গমন করিলে পর নরেন্দ্র সন্ন্যাসী হইয়া অনেক সাধন ভজন তপস্তা করিলেন। তখন তাহার হৃদয়মধ্যে অবতার সম্বন্ধে ঠাকুরের মহাবাক্য সকল যেন আরও প্রস্ফুটিত হইল। তিনি স্বদেশে বিদেশে এই তত্ত্ব আরও পরিষ্কাররূপে বুঝাইতে লাগিলেন। স্বামীজী যখন আমেরিকায় ছিলেন, তখন নারদস্থত্রাদি গ্রন্থ অবলম্বন করিয়! ভক্তিযোগ নামক গ্রন্থ ইংরাজীতে প্রণয়ন করেন। তাহাতেও বলিতেছেন যে, অবতারগণ স্পর্শ করিয়া লোকের চৈতন্ত সম্পাদন করেন। তাহাদের স্পর্শে র্যাহারা দ্বরাচার, তাহারা পরম সাধু হইয়া যায়েন। “অপি চেৎ মৃদুরাচারে ভজতে মামনন্তভাক সাধুরেব স মন্তব্য: সম্যক্ ব্যবসিতো হি স: ॥” ঈশ্বরই অবতার রূপে আমাদের কাছে আইসেন। যদি ঈশ্বরদর্শন করিতে আমরা চাই, তাহা হইলে অবতার পুরুষের মধ্যেই তাহাকে দর্শন করিব। তাহাদিগকে আমরা পূজা না করিয়া থাকিতে পারিব না। “Higher and nobler than all ordinary ones, is another set of teachers, the Avataras of Ishvara, in the world. They can transmit spirituality with a touch, even with a