পাতা:শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ কথামৃত পঞ্চম ভাগ.djvu/৪০

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ঐযুক্ত মনোমোহন ও সুরেজের বাটতে শ্রীরামকৃষ্ণ रे ¢ ধূলো ওড়ে, কোনটা আমড়া, আর তেঁতুলগাছ, কোনটা আমগাছ বোঝা যায় না। ঝড় থেমে গেলে, তখন বোঝা যায়। নবাছুরাগের ঝড় থেমে গেলে ক্রমে বোঝা যায় যে ঈশ্বরই শ্রেয় নিত্য পদার্থ আর সব অনিত্য। সাধুসঙ্গ ভপস্তা না করলে এ সব ধারণা হয় না! পাখোয়াজের বোল মুখে বললে কি হবে ; হাতে আন বড় কঠিন। শুধু লেক্চার দিলে কি হবে ; তপস্ত চাই, তবে ধারণা হবে। “জাতিভেদ ? কেবল এক উপায়ে জাতিভেদ উঠতে পারে। সেটি ভক্তি। ভক্তের জাতি নাই। অস্পৃষ্ঠ জাত শুদ্ধ হয়-চণ্ডালের ভক্তি হলে আর চণ্ডাল থাকে না । চৈতন্যদেব আচণ্ডালে কোল দিয়েছিলেন। “ব্ৰহ্মজ্ঞানীরা হরিনাম করে, খুব ভাল। ব্যাকুল হয়ে ডাক্লে তার কৃপা হবে, ঈশ্বর লাভ হবে। “সব পথ দিয়েই তাকে পাওয়া যায়। এক ঈশ্বরকে নানা নামে ডাকে। যেমন এক ঘাটের জল হিন্দুর খায়, বলে জল ; আর এক ঘাটে খৃষ্টানরা খায়, বলে ওয়াটার (Water ) ; আর এক ঘাটে মুসলমানরা খায়, বলে পানি।” সুরেন্দ্রের ভ্রাতা—মহাশয়, থিওজফি কিরূপ বোধ হয় ? শ্রীরামকৃষ্ণ-শুনেছি নাকি ওতে অলৌকিক শক্তি (miracles ) হয়। দেব মোড়লের বাড়ীতে দেখেছিলাম একজন পিশাচসিদ্ধ। পিশাচ কত কি জিনিষ এনে দিত। অলৌকিক শক্তি নিয়ে কি করবো ? ওর দ্বারা কি ঈশ্বর লাভ হয় ? ঈশ্বর যদি না লাভ হলো তা হলে সকলই মিথ্যা !