পাতা:শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ কথামৃত পঞ্চম ভাগ.djvu/৪৭

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


छ्रौतः १द्भिां দক্ষিণেশ্বরে মাড়োয়ারী ভক্তগণসঙ্গে গ্রীরামকৃষ্ণ বৈকাল হইয়াছে। মাষ্টার ও দু একটা ভক্ত বসিয়া আছেন। কতকগুলি নগেরীয় ভক্ত আসিয়া প্ৰণাম করিলেন। তাহারা কলিকাতায় ব্যবসা করেন। তাহারা ঠাকুরকে বলিতেছেন, “আপনি আমাদের কিছু উপদেশ করুন। ঠাকুর হাসিতেছেন । 鬼 গ্রীরামকৃষ্ণ (মাড়োয়ারী ভক্তদের প্রতি )—দেখ, 'আমি আর আমরা এ দুটি অজ্ঞান। হে ঈশ্বর, তুমি কর্তা আর তোমার এই সব, এর নাম জ্ঞান। আর আমার কেমন করে বলবে? বাগানের সরকার বলে, আমার বাগান ; কিন্তু যদি কোন দোষ করে তখন মনিব তাড়িয়ে দেয়, তখন এমন সাহস হয় না যে নিজের আযের সিন্মুকটা বাগান থেকে বার’করে আনে। কাম, লেক, এর কবর নয় ; ঈশ্বরের দিকে মোড় ফিরিয়ে দাও। কামনা, লোত হতে হয় তো ঈশ্বরকে পাবার কামনা, লোভ কর। বিচার করে তাদের ওড়িয়ে দাও। হাতী পরের কলাগাছ খেতে গেলে মাহুত অঙ্কুশ মারে। “তোমরা ত ব্যবসা কর, ক্রমে ক্রমে উন্নতি করতে হয় জান ! কেউ আগে রেড়ির কল করে, আবার বেশী টাকা হলে কাপড়ের দোকান করে । তেমি ঈশ্বরের পথে এগিয়ে যেতে হয়। হোলো, মাঝে মাঝে দিন কতক নির্জনে থেকে বেণী করে তাকে ডাকলে " “ভবে কি জান ? সময় না হলে কিছু হয় না। কার কারু ভোগ কৰ্ম্ম অনেক বাকি থাকে। তাই জন্ত দেরীতে হয়। ফোড় কাচা অবস্থায় অস্ত্র can হিতে বিপরীত হয়। পেকে মুখ হলে তবে ডাক্তার অস্ত্র করে ছেলে বলেছিল, মা এখন আমি ঘুমুই আমার বাহে পেলে তখন তুমি স্কুলে। করে বাবা বাঁহেতেই তোমায় তুলবে, আমার তুলতে হবে না।” ( সকলে হান্ত ) ৷