পাতা:শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ কথামৃত পঞ্চম ভাগ.djvu/৯৪

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


বলরামমন্দিরে ঈশ্বর দর্শন কথা v» `° [ অধরের বাড়ীতে কীৰ্ত্তনানন্দ ও অধরের প্রতি উপদেশ ] কীৰ্ত্তনাস্তে ঠাকুর ভাববিষ্ট হইয়া বসিয়াছেন, রাখালকে বলিতেছেন, ‘এখানকার শ্রাবণ মাসের জল নয়। শ্রাবণ মাসের জল খুব হুড়হুড় করে । আসে আবার বেরিয়ে যায়। এখানে পাতাল ফোড়া শিব, বসানো শিব . নয়। তুই রাগ করে দক্ষিণেশ্বর থেকে চলে এলি, আমি মাকে বললুম ; ম। এর অপরাধ নিসনি।” * শ্রীরামকৃষ্ণ কি অবতার ? পাতাল ফোড়া শিব ? আবার অধরকে ভাবাবিষ্ট হইয়া বলিতেছেন—বাপু ! তুমি যে নাম করেছিলে তাই ধ্যান কোরো। এই বলিয়া অধরের জিহবা অঙ্গুলি দ্বারা, স্পর্শ করিলেন ও জিহাতে কি লিখিয়া দিলেন। এই কি অথরের দীক্ষা হুইল ? পঞ্চম পরিচ্ছেদ আর একদিন ঠাকুর দক্ষিণেশ্বর মন্দিরে দক্ষিণ-পূৰ্ব্ব বারাণ্ডার সিডিতে বসিয়া আছেন। সঙ্গে রাখাল, মাষ্টার, হাজরা। ঠাকুর রহস্ত করিতে ক্ষরিতে. বাল্যকালের অনেক কথা বলিতেছেন। [ দক্ষিণেশ্বরে সমাধিস্থ শ্রীরামকৃষ্ণ ও জগন্মাতার সঙ্গে তাহার কথা?" ঠাকুর সমাধিস্থ । সন্ধ্যা হইয়াছে। নিজের ঘরে ছোট খাটটিতে বসিয়া , আছেন ও জগৎমাতার সহিত কথা কহিতেছেন। বলিতেছেন, ‘মা, এত - ছাঙ্গাম করিস কেন ? মা ওখানে কি যাব ? আমায় নিয়ে যাস্ তো খাব।” ঠাকুরের কোন ভক্তের বাড়ীতে যাবার কথা হইয়াছিল! তাই নি । জগন্মাতার আজ্ঞার জন্ত এইরূপ বলিতেছেন ? • , জগৎ-মাতার সঙ্গে শ্রীরামকৃষ্ণ আবার কথা কহিতেছেন। এবার কোন * অন্তরঙ্গ ভক্তের জন্য বুঝি প্রার্থনা করিতেছেন। বলিতেছেন—“মা, ওকে নিখাদ করে। আচ্ছ মা, ওকে এক কলা নিলি কেন ? ४-6न * * *