পাতা:শ্রীশ্রীহরি লীলামৃত.djvu/১৩৮

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


মধ্য খণ্ড । ১২৯ জয় জয় দশরথ জয় মৃত্যুঞ্জয়। জয় জয় মহানন্দ প্রেমানন্দ ময় ॥ জয় নাটু জয় ব্রজ জয় বিশ্বনাথ । নিজদাস করি মোরে কর আত্মসাৎ ॥


جسے ہے-ایس

ভক্ত স্বরূপরায়ের বাটতে পূজাদি বৈদিক ক্রিয় সব ছেড়ে দেয়। সব সমর্পন করে ঠাকুরের পায় । - কত দিনে মনে করে কবে হেন হ’ব । প্রভুকে বাটীতে এনে সব সমৰ্পিব । একদিন গিয়া ঠাকুরের কাছে কয়। চল প্রভু একদিন দাসের আলয় ॥ ঠাকুর বলেন আমি ঘাইবারে পারি। তব গৃহে আছেন বিধবা এক নারী ॥ প্রভুর গমন । সেই ধনী আছে জানি তব এক অন্নে। - পয়ার : যাইবারে নারি আমি সে নারীর জন্তে ॥ । পাইকড়াঙ্গা নিবাসী শ্ৰীস্বরুপ রায়। রূপবতী সেই নারী জানি ভাল মতে। ' বড়ই সম্পত্তিশালী মান্য অতিশয় ॥ শ্বেত রোগ আছে সেই নারীর অঙ্গেতে ॥ " দেল দোল দুর্গোৎসব ব্ৰত পূজা আদি । বার মাসে বার ক্রিয় করে নিরবধি ॥ রাজসিক ভাবে সব করিতেন রায় । নিযুক্ত ছিলেন সদা অতিথিসেবায় । বহু দিন পরে তার হ’ল বেয়ারাম । আমি গেলে ম৷ বলিয়। ডাকিতে হইবে । ঔষধ সেবন করি না হ’ল আরাম ॥ ডাকা মাত্র তার শ্বেতরোগ সেরে যাবে ॥ . ঠাকুরের লীলা গুণ শুনে লোক ঠাই। হইয়াছ হরিভক্ত হ’লে ঋপু জয়। রায় বলে ঠাকুরের কাছে আমি যাই ॥ । এই টুকু বাকী আছে তাহলেই হয় ৷ হরিচাদ বলিয়া চলিল কঁাদি কঁাদি। । ঠাকুরের পদে রায় পড়িল কাদিয়া। উপনীত হইল শ্ৰীধাম ওঢ়াকাদি ॥ " এ হেন করুণা-সিন্ধু পেলেম আসিয়৷ প্রভুর সম্মুখে গিয়া রহে দাড়াইয়া । কোন দিন যাবেন তা দেন ঠিক করি। মহাপ্রভু বলে তুমি এলে কি লাগিয়া ॥ সেই দিন যেতে হবে এ দাসের বাড়ী। তুমি হওঁ বড় লোক রাজ তুল্য ব্যক্তি। ঠাকুর দিলেন তার দিন ধাৰ্য্য করি । তোমাকে বসিতে দিতে নাহি মম শক্তি ॥ অজ্ঞা মাত্র আয়োজন করিল তাহারি ॥ রায় কহে বড় লোক আমি কিসে হই । দেশে দেশে গ্রামে গ্রামে যত ভক্তগণ । দয়। হ’লে শ্ৰীচরণে দাস হ’য়ে রই ॥ সব ঠাই একে বারে হ’ল নিমন্ত্রণ ॥ বসিতে চাহে না রায় বলেছে কাদিয়া । ঠাকুর করিল যাত্রা পাইক ডাঙ্গায়। ঠাকুরের পদ ধরি পড়ে লোটাইয়। যাত্রা কালে সঙ্গে ভক্ত দেড় শত হয়। প্রভু বলে গৌরব এখন গেছে ঘুচে। । মৃত্যুঞ্জয় দশরথ গোস্বামী গোলোক। শ্ৰেষ্ঠত্ব ঘুচা'তে তোরে রোগে ধরিয়াছে। আগে যায় হীরামন হইয়া পুলক ৷ যাও যাও ওরে বছ। রোগ তোর নাই। উপনীত হয় গিয়া গ্রাম ফুকুরায়। - এইরূপ মন খাটি সৰ্ব্বক্ষণ চাই ॥ ६९ অধিকারী উপাধি ঈশ্বর দেখে তায় ॥ ঠাকুরে প্রণাম করি চলিল বাটতে । ঠাকুরের পিতৃগুরু ঈশ্বর অধিকারী । দেহ মন সমৰ্পিল হরির পদেতে ॥ পথ আগুলিল গিয়া কর যোড় করি ॥ ৫ ঠাকুরের প্রিয় ভক্ত সেই হ’তে হয়। ছেড়া কঁথা দিয়া গলে দন্তে তৃণ ল’য়ে। খেতে গুতে নিরবধি হরিগুণ গায় ॥ মুখে নাহি ফুরে বাক্য রহে দাণ্ডাইয়ে। সেই হতে ঘুচে গেল কৰ্ম্ম রাজসিক। চক্ষের জলেতে বক্ষ ভাসিয়া চলিল । 器。 ভক্তির উদয় হ’ল বিশুদ্ধ সাত্ত্বিক ৷ [ xi ) তব গৃহে আছে বটে তুমি দেখ নাই । বস্ত্র দ্বার। গুপ্ত করে ঢেকে রাখে তাই ॥ সে নারীকে যদি তুই মা বলে ডাকিস । তাহ’লে আমাকে বাছা লইতে পারিস ॥ দেখিয়া প্রভূর মনে দয়া উপজিল। జణాas S_షణీ / f