পাতা:শ্রীশ্রীহরি লীলামৃত.djvu/১৪৯

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


S8o জমি স্বামী নন্দরায় নমঃ শূদ্র তিনি । রাখালে মারিতে বায় ধাইয়। আমনি ॥ তিল ভেঙ্গে নাশ কৈলি আমার এ জমি । যমালয় তোদেরে পাঠা’ব অদ্য আমি ॥ রাখালের বলে মারে রায় মহাশয়। গোস্বামী ন পেলে মোরা যাব যমালয় ॥ এ বাক্য গোস্বামী যবে শুনিবারে পায়। জয় হরি বল বলে উঠিয়া দাড়ায় ॥ , • এই অামি এই আমি বলেন গোঁসাই। রাখালের বলে তারে পেয়েছিরে ভাই ॥ ওরে ভাই তিলআল। মারিবিত মীর । মার। ধরা বলে কিছু ভয় নাহি আর ॥ । গোসাই বলেন ওরে কে মারিতে চায় । দেখি কেবা মারে তারে ডেকে ল’য়ে আয় ॥ রাখালেরা বলে গিয়া রায়ের গোচরে । মার যদি এস বাবা ডেকেছে তোমারে ॥ প্রভু কাছে যোড় করে কহে এক দাই । আমার জমিতে এসে নাচহে গোসাই ॥ রায় কহে যাও যাও যে ডাকে তোমারে । অামার জমির তিল গেছে একেবারে ॥ আমার জমিতে আর যেওনা পাগল। যাও যদি তিল ভেঙ্গে যাইবে সকল ॥ . দাই বলে এই তিলক্ষেত্র মোর হয় । নাচ গাও হরি বল যত মনে লয় ॥ গোস্বামী বলেছে তোর তিল ভেঙ্গে যাবে। দাই বলে তিল গেলে তিল দিতে হ’বে ॥ যায় যাক থাকে থাকৃ সামান্য এ তিল । দয়। করি প্রেমভক্তি দেহ এক তিল ॥ একতিল প্রেমভক্তি মোরে যদি দেহ । পরিপূর্ণ হ’বে গোলা নাহিক সন্দেহ। মোর গৃহে ন ধরিবে ছড়িয়ে পড়িবে। ধরায় না ধরিবে বিরাজ। পার যাবে ॥ "ম্লেচ্ছ যবন যার মোরে কভু নাহি মানে। এই যুগে তারা ও কাদিবে মোর নামে" ॥ প্রভুর প্রতিজ্ঞা পূৰ্ব্বে যাহা যাহা ছিল। । শেষ “লীলার প্রধান” সব সন্তবিল ৷ গোঁসাই তাহার মুখে হস্ত দিয়া কয় । নাচিব তিলুের মধ্যে জয় হরি জয় ॥ অমনি চলিল প্রভূ রাখাল সঙ্গেতে। দক্ষিণাভিমুখ হ’য়ে চলে সকলেতে।

ঐত্ৰহরিলীলামৃত | একবার দৌড়ে যায় দক্ষিণের আলি । উত্তরাভিমুখ পরে চলিল সকলি ॥ - পুনরায় দৌড়ে যায় পশ্চিম আইলে । আর বার পূর্ব আলি চলিল সকলে। আসে যায় নাচে গায় যেন মুল্ল যুদ্ধ । নেচে নেচে তিল ভাঙ্গে করে কক্ষ বাদ্য ৷ তিল গাছ ভেঙ্গে চুরে নেচেছে রাখাল । কিয়দংশ গাছে রৈল দুই এক ডাল। ডাল পাতা ভূমিসাৎ পাড়ায় পাড়ায়। ভেঙ্গে চুরে তিল গাছ প’ল মৃত্তিকায় ॥ এই মত তিল নৃত্য গীত ভঙ্গ করি । পাগল বাহির হৈল বলে হরি হরি । মহা সংকীৰ্ত্তন মূহ পীযুষের রস । - রসন রস’ন পেয়ে রসনা বিৱস গোস্বামীর ভোজের আয়োজন। . পয়ার । .*・ নৌকা চলে খাল দিয়া পাগল কিনারে। بر শীলনার বালার সে নৌকা টেনে ধরে। আজ সবে এই স্থানে করুণ বিশ্রাম। কৃতাৰ্থ করুণ সবে করি হরিনাম ॥ তাহাগুনি সব নৌকা লাগিল কিনারে । -- বালাদের বাট নাম সংকীৰ্ত্তন করে। বাহির বাটীতে নাম সংকীৰ্ত্তন হয় । মহা সংকীৰ্ত্তনে প্রেম বন্যা ব’য়ে যায় ॥ কেহ কঁাদে কেহ হাসে গড়াগড়ি যায়। হরি হরি হরি হরি হরি হরি ময় ॥ মাতিল তিতিল'বক্ষ বহে অশ্রুজল। গোস্বামী ডাকেন কোথা রাখালের দল। শুনিয়া রাখাল গণেদেয় হরিধ্বনি । পাগলের সম্মুখেতে করি যোড় পাণি ॥ গোস্বামী কীৰ্ত্তন মাঝে যখন বিরাজে। রাখাল মিশিল এসে কীৰ্ত্তনের মাঝে ॥ হাতে লড়ি গোস্বামী দাড়াল বাকী হ’য়ে। রাখালের নাচে সুখে আগব৷ ধ্বনি দিয়ে ॥ বাল বৃদ্ধ যুবা প্রৌঢ় কিম্ব নরনারী। ধন্য যুগে এক যোগে বলে হরি হরি। তার মধ্যে বসেছে ঈশ্বর অধিকারী। মন্ত্রদাতা গুরু সদা করে গুরু গিরি ॥