পাতা:শ্রীশ্রীহরি লীলামৃত.djvu/১৯০

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


> তান্ত খণ্ড । لا يرالا তারক আসিয়া বাটী লোচন সম্মুখে । জিজ্ঞাসিবে মনোভাব, কথা নাহি মুখে ॥ অমনি লোচন হাসী কহিছে তারকে । কিছু কি জিজ্ঞাসা নাকি করিব। আমাকে ॥ কি কহিছে নৃত্যমণি অবল। সে নারী । টাকা সাধিয়াছি রাধামণি দুঃখ হেরি ॥ বৃদ্ধ হ’লে বেশ্ব হয় হরি পরায়ণ । এ সময় বেশু্যা বৃত্তি তারত সাজেন ॥ অর্থ জন্য বেশ্বা হয় হ’য়ে দায় ঠেক। দুষ্ট কার্য্য হ’বে ত্যজ্য তাতে দেই টাক।। বলিয়াছি দুষ্ট কার্য্য তেয়াগিয়া থাক । ভিক্ষামাগী খাওয়াইব হরি বলে ডাক ॥ উদর চিন্তায় কেন কুকাজের লোভী। হরি বলে মেগে খাব হওগো বৈষ্ণবী ॥ আমি দিব চোঁদ টাকা তুমি কিছু দেও। পরমার্থ তত্ত্ব নিয় ভিক্ষামেগে খাও ॥ তুমিত মোহান্ত ভাল থাক এই দেশে । ওর। কেন ভাল হয় না তোমার বাতাসে । যশাই বৈরাগীর ছেলে হয়েছে ঠাকুর। তার প্রেম বন্য এসে লাগে জয়পুর ॥ তুমি জয়পুর সাধনের বাড়ী কোল। প্রেমভক্তি দেয় হরি করি শেষ লীলা ॥ কোলা আর জয়পুর প্রেম চলাচল । এর মধ্যে কেন থাকে দুষ্ট আর খল। যাহ। ভাল বুঝি তা হা করিয়াছি আমি। ভালমন্দ বিচার করিয়া লহ তুমি। তুমি বহু শাস্ত্র জান পড়িয়াছ কত। মুখস্থ করেছ চৈতন্যচরিতামৃত। তাহাতে যাহা লিখিল তাত পড়ে থাক । মঙ্গলাচরণ পদ বিচারিয়া দেখ ॥ কৃষ্ণ ভক্তি বাধ যত শুভাশুভ কৰ্ম্ম । সে ওত জীবের এক অজ্ঞানত ধৰ্ম্ম ॥ লজ্জা ঘৃণা অষ্টপাশ সকল উঘাড়ি। শুভাশুভ যত কৰ্ম্ম দিতে হবে ছাড়ি ॥ " কৃষ্ণভক্ত হবে ত বিচার সব ফেল ৷ ” পর উপকারী হয়ে হরি হরি বল ॥ লোচনের লীলা খেলা অলৌলিক কাজ । রচিল তারক চন্দ্র করি রসরাজ ৷ হীরামন ও লোচন গোস্বামীর বাদানুবাদ ॥ পয়ার । রাউৎখামার গ্রামে গোস্বামী লোচন। তথায় উদয় এসে হৈল হীরামন ॥ গুরু চরণ বালার প্রাঙ্গণে বসিয়া । বকিতেছে হীরামন ক্রোধিত হইয়া ॥ হীরামনে সৰ্ব্বজনে দণ্ডবৎ করে । t পদধুলী কেহ তুলি লুইতেছে শিরে। ক্রোধযুক্ত তাহতে হইয়। হীরামন । বকীবকি যাহ। মুখে বলিছে তখন ॥ রমণীর গুহ্যস্থান অপভ্রংশ ভাবে । উচ্চারণ করছেন ক্রোধের প্রভাবে ॥ অনেক্ষণ হীরামন বকিতে লাগিল । ক্রোধাভরে লোচন উঠিয় দাড়াইল ॥ শোচন কহিছে ডেকে হারে হীরামন । হেন বাকু তোরে শিখায়েছে কোনজন ॥ হরি ঠাকুরকে দেখে হইলি পাগল । সেই নাকি হোরে শিখায়েছে এই বোল ॥ কি বোল বলিয়া করেছিস্ ডাকাডাকি । তুই নাকি শ্রীহরির পড়া সুকপাখী ॥ যে বোল শুনালি তুই শোন তোরে কই । দুটা কথা কই তোরে আর কত দুই ॥ উলঙ্গ হইয়া জলে ঝাপিলে কি হয় । তাহাতে কাহার কোথা সাধুত্ব বাড়ায় ॥ জলচর পক্ষী জলে চরিয়া বেড়ায়। মর শব, জলে তাসে সেও সাধু হয়। পাগল হয়েছ কেন চেনন মাতুল। কি উদ্দেশ্যে খেপাইলি মাতুলের কুল। বিবাহ করিলি যারে তারে ম৷ বলিলি । শ্বশুরেকে আজ বলে প্রণাম করিলি ৷ রমণীর মাতা শাশুড়ীকে ব’লে আজী । শালাকে বলিলি মামা মনেতে কি বুঝি। হর্বুিদ নাম লয়ে পোড়াইলি ফু। মাতৃ কুল খেলাইয়া পাইলি কি মুখ ॥ জ্ঞান মিশ্র ভক্তি যোগে হ’য়েছ অজ্ঞান। কেন উচ্চারণ কৈলি যাতৃ গুহ স্থান ॥ মাতৃ বুজ পিতৃ বীর্ষ্যে জনম সবার । ૭ાશ ના પૂછ્યાન બર્મિ બર્લિંગ I