পাতা:শ্রীশ্রীহরি লীলামৃত.djvu/২০৮

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


অন্ত খণ্ড । )సిసి দেখিল গোষ্ণুর সাপ গেল দৌড়াইয়ে । বিষের জালায় চক্ষু গেল লাল হ'য়ে ॥ তাহার অগ্রজ ভ্রাতা সে উমাচরণ । ব্যস্ত হ’য়ে বলে ওঝ আন একজন ॥ নোয়। ভাই তাহার যে রামচাদ ছিল । ইতি পূৰ্ব্বে সর্পাঘাতে সেঞ্জন মরিল। ইনিও মরিল বুঝি সাপের দংশনে। শীঘ্ৰ আন ওঝা নহে বাচ নাহি প্রাণে । গোলোক ওঝা আনিতে ধাইয়া চলিল । দেখে সূৰ্য্যনারায়ণ নিষেধ করিল। যে তামাক দিয়াছিল পাগল গোসাই । খাইলে সারিবে বিষ আন তাই খাই। বাপি হ’তে তামাক বাহির করে দিল । . তামাক গালেতে দিয়া জল থওয়াইল । * নেশা হয়ে সেই ভাবে দণ্ড চারি ছিল। . অমনি সাপের বিয নিৰ্ব্বিষ হইল ॥ স্বান করি আহার করিল ততক্ষণ। বেদগ্রামে কবি গানে করিল গমন ॥ তামাক দিলেন মুখে নিৰ্ব্বিষ বলিয়ে। গোস্কুরের খর বিধ গেল নিশ হ’য়ে ॥ শ্ৰীশ্ৰীহরিলীলামৃত ভক্তের আখ্যান । রচিল তারক ভক্ত চরিত্র সুগান ॥ প্রেমূগ্লাবন ও বিনারতিতে কর্ণের জন্ম । পয়ার । বহিল প্রেমের বন্যা ওঢ়ার্কাদি হ’তে । দ্বিজ মুচি শৌচাগুচি ডুবে গেল তাতে ॥ আইল প্রে’মর বন্ত বীজ হ’ল নাশ । তাহ দেখি পঞ্চজনের বাড়িল উল্লাস ॥ ব্রাহ্মণ ক্ষত্ৰিয় বৈষ্ঠ শূদ্র চারি জাতি । রেচক পুরক কুস্তকাদি নেতি ধৌতি। শাক্ত শৈব গাণপত্য বৈষ্ণব তাপন । সবে করে সম পুত প্রণয় প্লাবন ॥ কলু কলু শব্দ ওঢ়ার্কাদি গোলা ঘটে । হুতাশ নিশ্বাসে সদা সে তুফান উঠে। ক্ষত্র-বংশ-জাত রামভরত ত্যজি দেশ । পাদপদ্ম ভূঙ্গ বিশ্বনাথ দরবেশ ॥ দেশে কি বিদেশ বেগে চলিল তুফান। যবন পাবন কারী হরি প্রেম বাণ ॥ 零 রাউৎখামার আর গ্রাম মল্লকাদি । হরি দরশনে সবে যায় ওঢ়ার্কাদি। নারিকেলপাড়ী মাতে সহ সাহাপুর। সুরগ্রাম বারথাদিয়া গন্দিয়া সুর ॥ হরমোহন বাড়ই গোপাল বিশ্বাস । ঠাকুরে ঈশ্বর বলে করিল বিশ্বাস ॥ গোপাল নেপাল তারা দুটি সহোদর। গোলোক গোসাই জয় গায় নিরন্তর ॥ ঘোষালকাদি নিবাপী মহীমাচরণ । সকলে মাতিয়া করে নাম সংকীৰ্ত্তন ॥ ঠাকুর দেখিয়া তার প্রেমেতে মাতিয় । নয়ম মুদিয়া রাখে হৃদয়ে ধরিয়া ॥ মল্লকাদি গ্রামবাসী মাতিল সকল । সকালে বিকালে বলে জয় হরি বোল ॥ সেই সব মহাভাব অগ্রে লেখা আছে । • হীরামন যেই রূপে মাতিয়া উঠেছে। সেই সময়েতে যত মহাভাব হয়। মৃত্যুঞ্জয় ভবনেতে আগে লেখা যায় ॥ শ্ৰীনিতাই চৈতন্য অদ্বৈত তিন ভাই । তাহাদের প্রেমভক্তি তুলনাই নাই ॥ নিত্যানন্দ পুত্র যিনি মৃত্যুঞ্জয় নাম। চৈতন্যের দুটি পুত্র অতি গুণধাম ॥ রামকৃষ্ণ জ্যেষ্ঠ ছোট রামনারায়ণ । হরিচাদ গত প্রাণ তারা দুইজন ॥ এক মন এক ভাব নাহি ব্যতিক্রম । ঠাকুরের ভক্ত বৃন্দাবনের নিয়ম ৷ রামদেব মহাদেব অদ্বৈতের পুত্র। ঠাকুরের ভক্ত হয় পরম পবিত্র ॥ এই বাড়ী সবে মিলে হ’ল হরি ভক্ত । মৃত্যুঞ্জয় সঙ্গে মত্ত সকলে থাকিত ॥ রামকৃষ্ণ নির্জনেতে যখন থাকিত । আরোপে ঠাকুর রূপ নিরীক্ষে দেখিত ॥ ওঢ়াকাদি ষে ভাবেতে ঠাকুর থাকিত । বাটিতে থাকিয়া রামকৃষ্ণ তা জানিত ॥ রামনারায়ণ করে ঠাকুরের ধ্যান । এক দিনে ঠাকুর বলেন তার স্থান ৷ শোন বাছা তোরে নিতে পরিবেন। যম । সপ্ত বর্ষ অনিদ্রিত কর এ নিয়ম ॥ তাহাগুনি নিদ্রা ত্যজে মনে হ’য়ে হর্ষ । মহাযোগী নিদ্র। নাহি যান সপ্তবর্ষ।