পাতা:শ্রীশ্রীহরি লীলামৃত.djvu/২১২

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


• রসিক বলেন আমি বিচার করিব। গৌরাঙ্গকে স্বয়ং বলিয়৷ মানাইব। সভা হ’ল নবদ্বীপ পণ্ডিতের দলে । শাক্ত শৈব বৈষ্ণবেরা এল দলে দলে । শান্তিপুর উলাকাশী নদীয়া দ্রাবিড়। যে খানে যে খানে ছিল পণ্ডিত সুধীর । সপ্তাহ পর্য্যন্ত সভা হয় প্রতি মাস । এই রূপে বিচার হইল ছয় মাস ॥ বনবাসী পরমহংস এসেছিল যারা । সুবিচারে পরাজয় হইলেন তারা। ছয় মাস পরে সভা শেষ সুবিচার । স্বয়ং বলিয়। তার করিল স্বীকার ॥ পরমহংসের বলে কালুক্ষে আসিব । গৌরাঙ্গ স্বয়ং বলে স্বীকার করিব । --অীর যত প্রতিপক্ষ স্বীকার করিল। স্বীকার করিয়া তারা ভকত হইল ॥ পরমহংসেরা আর না আসিল,ফিরে । এ দিকৃেতে জয় ডঙ্কা বাজে জয়পুরে । বৈষ্ণবেরা সবে জয় জয় ধ্বনি করে । জয় গোঁর স্বয়ং গৌর বলে উচ্চৈঃস্বরে। সবে মিলে বলেন গৌরাঙ্গ জয় জয় । জয় শ্ৰীগৌরাঙ্গ জয় রসিকের জয় ॥ জয় পুরে রাজ করে জয় জয় ধ্বনি । রামাগণে বামা স্বরে করে হুলুধ্বনি । জয়পুর জয়পূর্ণ জয় জয় জয় । পুষ্প ফেলে মারে কেহ রসিকের গায় ॥ বৈষ্ণবেরা রসিকের করিছে কল্যাণ। রসিকের কণ্ঠে করে পুষ্প মাল্য দান। কোন কোন বৃদ্ধা নারী মনের পুলকে । ধান্ত দুৰ্ব্ব দিতেছেন রসিক মস্তকে ॥ রসিক বলেন মম সাধ্য কিছু নয় । যার কার্য্য সেই করে তার জয় জয় ॥ সেই শ্ৰীগৌরাঙ্গ মোর এল ওঢ়ার্কাদি। নমঃশূদ্র কুলে অবতার গুণ নিধি ॥ যাশমন্ত রূপে জীবে ভক্তি শিখাইল । জয় হরিচাদ জয় সবে মিলে বল । গৌরাঙ্গ স্বয়ং বলি মিমাংসা হইল। রসিকের সভাজয় তারক রচিল ॥ অন্ত খণ্ড । २०७'] নিঃস্বার্থ অর্থ-দান পয়ার । চাকরী করিয়া ত্যাগ রসিক আসিল । হরিচাদ চিন্তা করি গৃহেতে রহিল। তিল ছড়া গ্রামে তার সম্পত্তি যা ছিল । মালেকের রাজকর বাকী পড়ে গেল ॥ বিষয় বিক্রয় হয়, না রহে সম্পত্তি । জমিদার সঙ্গে নাহি হইল নিষ্পত্তি ॥ মালেকের টাকা বাকী সাড়ে সাত শত। তার মধ্যে অভাব হইল দুইশত । সপ্তাহ মধ্যেতে অই টাকা হ’বে দিতে । দুইশত টাকা না পারিল মিলাইতে ॥ রসিক বিপদাপন্ন তুচ্ছ অর্থ দায়। প্রভু হরিচাদ তাহ জানিল হৃদয় ॥ গোলোকে বলেন প্রভু হ’য়ে অবসর। রসিক বিপদাপন্ন তুচ্ছ অর্থ জন্ত ॥ গুরু চরণকে বল এ কথা আমার । টাকা দিয়া দায়মুক্ত করহ তাহার ॥ পাগল বলিল বড়কৰ্ত্তার নিকটে । রসিকেরে টাকা দিয়া বাচাও সঙ্কটে। গুরুর্চাদ চলিল দুশত টাকা ল’য়ে। গোলোক পাগল টাকা সঙ্গে নিল ব’য়ে ॥ টাকা দিয়া এল সেই রসিকের ঠাই। দেথিয়া আশ্চৰ্য্য কাৰ্য্য বিস্মিত সবাই ॥ রসিক বলেন মহাপ্রভু অন্তৰ্য্যামী । তার কৃপাবলে এ বিপদ মুক্ত আমি ॥ ক্ষণ মাত্র করিলেন প্রেম আলাপন। টাকা দিয়া গৃহেতে আসিল দুইজন ॥ এই টাকা নেওয়া দেওয়া অর্থ বোঝাভার। দিলেওন নিলেওন চাহিল ন৷ আর ॥ গোলোকনাথের মন বুঝিল গোলোক । শ্ৰীশ্ৰীহরিলীলামৃত রচিল তারক ॥ ভক্ত রামকুমার আখ্যান । - পয়ার । , সাধুহাটি যুধিষ্ঠির বিশ্বাস হ’ল মত্ত । পরিবার সহ হ’ল হরিচাদ ভক্ত ॥ তাহার ভগিনী হয় আনন্দ নামিনী । প্রভু বলে ভক্ত৷ মধ্যে তারে আমি গণি ॥