পাতা:শ্রীশ্রীহরি লীলামৃত.djvu/২৩১

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


í | ১. আমি এই লাঠি দেই রাথিস্ সঙ্গেতে ॥ সিংহের শাবক ইহা ধরিল শৃগালে । সিংহ হ’য়ে ভয় হ’ল শৃগালের পালে। তব শক্তি ধৈর্য্য ডুরি বোঝা যে দিনেতে । দিলেন ভবাণী দিদি মোর মস্তকেতে। সেই হ’তে হারিয়াছি পূৰ্ব্ব বুদ্ধি বল । সেঞ্জস্ব ছাড়ি লাঠি নিল দুষ্ট থল । হেনকালে দয়ারাম ছেড়ে দিল গরু। গর রাখিবারে গেল বাঞ্ছাকল্পতরু ॥ বলিলেন ভবানীরে বাড়ী মধ্যে যাও । তুমি গিয়া খাও জয়চাদেরে খাওয়াও ৷ আমি এই পালানেতে গরু চরাইব । তোমরা খাইয়। এস বিদায় করিব ॥ তাহা শুনি জয়চাদ বাড়ী মধ্যে গিয়ে । ঠাকুর নিকটে পুন আসিলেন খেয়ে ॥ ঠাকুর বলেন তোরা আর কি করিবি। এই ত দেখিলি মোরে আর কি দেখিবি । নয়ন মুদিয় মেরে চিন্তিবিয়খনে । অমনি আমার দেখা পাইবি তখনে ॥ যে লাঠি নিয়াছে কাজ নাহি সে লাঠিতে । কারে সঙ্গে কখন না করিও জুলুম । মালেকে যাইতে রণে দিলে সে হুকুম। অস্ত্ৰ শস্ত্র না নিয়ে এ লাঠি নিয়ে যেও। বিপক্ষেরে ঐ লাঠি ঘুরা’য়ে দেখাইও । , ঘ হ’বার হইবেক ভয় করিওন। .এই লাঠি সৰ্ব্ব জয়ী রণে হারিবে না । এই লাঠি অগ্রভাগ এইটুকু ফাড় । স্থতা দিয়া বাধিয়া আগায় দিও জোড় ॥ প্রভুর শ্ৰীপদধূলি লইয়া মাথায় । কাদিতে কঁাদিতে সাধু নিজদেশে যায় । গৃহে আসি সেই লাঠি স্থতায় বাধিল । সযতনে তৈল জল মর্দন করিল ॥ জয়চাঁদ মনে চিন্ত করে অনুক্ষণ । নয়ন মুদিলে হরি দিবেন দর্শন। না দেখিলে সেই রূপ প্রত্যয় না হয়। পরীক্ষা করিতে ধ্যান বসিল সন্ধ্যায় ॥ কুত পাপ করিয়াছি নাহি লেখা জোখা। দক্ষু করি প্রভু কি আমাকে দিবে দেখা ৷ ৬ষ্ঠ ভাবি জয়চাদ তারোপে বসিল । নয়ন মুর্দিয় রূপ চিন্তিতে লাগিল * x -- 龜 '* শ্ৰীশ্ৰীহরিলীলামৃত। করুণানিধান হরি বুঝি ভক্ত মন । জয়চাদে দয়া করি দিলেন দর্শন ॥ কি সৌভাগ্য জয়চাদ হরি দেখা পেল । রসরাজ অনুরোধ হরি হরি বল ॥ জয়চাদের যুদ্ধ জয় । পয়ার । জয়চাদ হতে আছে আর এক কাৰ্য্য । ঠাকুর মহিমা সেই বড়ই আশ্চৰ্য্য ॥ " কাছারীতে নুতন এক নায়েব আসিল। ভূস্বামীর ভালবাসা নায়েব হইল। চৌগাছি নিবাসী বিষ্ণুচরণ বিশ্বাস। সুচরিত্র প্রবল প্রতাপে হ’ল যশ ॥ নায়েবের নিজ জমিদারী ল’য়ে গোল। . বিপক্ষ পক্ষের সঙ্গে বাধিল কেন্দল ৷ বিপক্ষে প্রধান জমিদার একজন । মহা হুল স্থল হ’ল বেধে গেল রণ ॥ যে দিন হইবে যুদ্ধ তিন দিন আগ্ৰে । বড় চিন্তাযুক্ত বাবু কিবা আছে ভাগ্যে। জয়চাদে কহে কেঁদে হইয়। কাতর । , বল ওহে জয়চাদ কি হইবে মোর ॥ তিন দিন পরে এই যুদ্ধ দিতে হবে । , যুদ্ধে না পারিলে মম বাড়ী-লুঠে নিবে। সিপাহী লইয়া তুমি মম বাড়ী যাও । এ বিপদ হ’তে তুমি আমাকে বাচাও। মোর দেশে সিপাহী আছে’ত ভীৰু ভাল। তবু মোর শান্তি নাই চিন্তা নাহি গেল । তাহা শুনি জয়চাদ করিল স্বীকার । যা করেন হবিচাদ করিব সমর ॥ আটজন সিপাহী লইয়। জয়র্চাদ । যাত্র করে জয়চাঁদ স্মরি হরিচাদ ॥ চৌগাছি দিনের মধ্যে উভরিল গিয়ে। তিন দিন পরে রণ হইবে ভাবিয়ে ॥ নিরস্ত আছয়ে সে সিপাহী নয়জন। অপর সিপাহী আর নাহি একজন ॥ দুই দিন পরে রণ জনরব আছে। দেশীয় ‘সিপাহীগণ কেহ না এসেছে । একদিন অগ্ৰে বিপক্ষের দিল হান । রণোন্মত্ত কেহ কণর নাহি শুনে মান ॥