পাতা:শ্রীশ্রীহরি লীলামৃত.djvu/৭৪

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


হরিচাদ লীলামধা,

3. t పి - थ** আদি খণ্ড । ৬৫ কহে দীন রায় সরকার । রাজমাতার প্রভু মাতার নিকট - অনুনয় | পয়ার । ঠাকুরের ঠাকুরালী হ’তেছে প্রকাশ । তিন ভাই করিছেন ওঢ়ার্কাদি বাস ॥ প্রভুমাতা অন্নপূর্ণ মাতা ঠাকুরাণী । জ্যেষ্ঠ পুত্র কৃষ্ণদাস সাধু শিরোমণি ॥ তাহার ভক্তিতে বাধ্য হইলেন মাত । শ্ৰীকৃষ্ণ দাসের প্রতি হইল মমতা ॥ ক্রমে সবে পৃথক্ হইয়া করে বাস । অন্নপূর্ণ মাকে সেবা করে কৃষ্ণদাস ৷ কৃষ্ণদাস একান্নে রয়েছে অন্নপূর্ণ। এ দিকেতে জমিদার করেছে ভাবনা : . পাৰ্ব্বতীচরণ মকস্বঃলে আসে যায়। কখন সফলাডাঙ্গা কাছারীতে রয় ॥ ঠাকুরের ঠাকুরত্ব প্রকাশ জানিয়া । , পাৰ্ব্বতী কহেন স্বৰ্য্যমণি স্থানে গিয়া ॥ বড় কওঁ শুন বাৰ্ত্ত কহি মূলস্বত্র। বড় ঠাকুরালী করে যশোমন্ত পুত্র ॥ কার্য্য দেখে জ্ঞান হয় স্বয়ং অবতার । বার কি আশ্রয় নহে লীলা বুঝা ভার ॥ মুখের কথায় মহাব্যাধি দূর হয়। কত লোক সারিতেছে বলা নাহি যায় ॥ পালাক্রান্ত রোগাক্রান্ত লোক যতছিল । হরিনামে পাপ তাপ রোগ বিনাশিল । নন্দসুত মিশ্র পুত্ৰ হ'ল নদীয়ায় । তেমতি হয়েছে যশোমস্তের তনয় ॥ শব্দে ངག་རྨི་ রামকান্ত দিয়াছিল বর। যশোমন্ত পুত্ৰ হ’বে বাসুদেবেশ্বর ॥ " অনুরাগী সাধু রামকান্ত মহাভাগ। শালগ্রামে প্ৰণমিলে হ’ত অষ্ট ভাগ । কাৰ্য্য দেখে বিশ্বাস হ’তেছে মোর তাই। করেছি অধৰ্ম্ম দাদা আর রক্ষণ নাই ॥ ওঢ়াকানী বসতি ক’রেছে তিন ভাই । শ্রীচৈতন্য নিত্যানন্দ অদ্বৈত গোসাই ॥ দাদা গে। এমন প্রজ। গিয়াছে ছাড়িয়া । , তপধৰ্ম্ম হইয়াছে জগৎ জুড়িয় ॥ [ s ] পানে নাশে ভবক্ষুধা, ঠাকুরাণী উত্তরিল এসে ওঢ়াকাদি। ... ; অধৰ্ম্ম হয়েছে বড় নষ্ট পরকাল। পাপের নাহিক সীমা ভেঙ্গেছে কপাল ॥ সময় সময় প্রাণ র্কাদে তাই ভেবে । আমাদের জমিদারী বুঝি না থাকিবে ॥ দুই ভাই এইরূপ কথোপকথন । । এই কথা রাজমাতা করিল শ্রবণ ॥ বুদ্ধা ঠাকুরাণী কহে কি কহ কি কহ । বিস্তারিয়! সব কথা আমাকে বলহ ॥ বিশেষ বৃত্তান্ত তবে শুনি ঠাকুরাণী । কহিলেন কি ক’রেছ ওরে সুর্য্যমণি ॥ মহৎ হউক কিম্বা হউক দরিদ্র । কিম্ব সে ঠাকুর হো’ক কিম্বা হো’ক ক্ষুদ্র ॥ রাজা হ’য়ে প্রজার করিলে অত্যাচার । প্রজাদ্রোহী রাজার যে রাজ্য রাখা ভার ॥ তোমরা থাকহ বাপ আমি এক যাই । বলিব সে কৃষ্ণদাস হরিদাস ঠাই ॥ “আমি ব্রাহ্মণের কষ্ট। যাইব তথtয়। তারা যদি না গুনে বলিব তারযায়। এত বলি ঠাকুরাণী করিল গমন । পথে যেতে ঠাকুরাণী ভাবে মনে মন ॥ । ধারিয়া প্রজার ধার শোধ নাহি দেয়। এই অপরাধ করে মম পুত্রদ্বয় ॥ প্রজা হ’য়ে রাজার করিল অপমান । । এই অপরাধে তারা ত্যজে বাসস্থান ॥ " ` কহিব এসব কথা ঠাকুর গোচরে। দেখি অপরাধ ক্ষম করে কিনা করে ॥ মহাপ্রভু সেদিন ছিলেন মল্ল কাদি। যথোচিত বলিলেন কৃষ্ণদাস ঠাই । পূৰ্ব্ব ভদ্রাসনে চল এই ভিক্ষা চাই ॥ কৃষ্ণদাস ব্রাহ্মণীর চরণ ধরিয়া। কহিলেন বহুমত বিনয় করিয়া - নাগে৷ মাতা পূৰ্ব্ব বাট আমরা যাবনা- . কিদোষে ছাড়িব ভিট। ভাবিয়া দেখন| : - পুণ্যাত্মা মহান বাবু রামরত্ব রায়। ভালবাসী দিয়াছেন মোদেরে আশ্রয় ॥ দুই ভাই করিয়াছে পদ্মবিলাঘর । আমরা এখানে আছি তিন সহোদর। এখনে এঘর বাড়ী ত্যজিব কেমনে । কেমনে যাইব মোরা পূৰ্ব্ব ভদ্রাসনে .