পাতা:শ্রীশ্রীহরি লীলামৃত.djvu/৮৪

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


আদি খণ্ড । সেই স্থানে আছে এক হিজলের গাছ। পূৰ্ব্বমুখ বসিলেন গাছ করি পাছ ৷ ঠাকুর বলেন তোর ক্ষুধা লাগে নাই । বলে হরি বল হরি চল হরি খাই ॥ সেখানে দেখিল প্রভু একটী সুড়ঙ্গ । সুড়ঙ্গ হইতে বের হইল ভুজঙ্গ ॥ ঠাকুর বলেন তোর হরিনাম শুনে । ভুদ্ধঙ্গ বাহির হয়ে চলে গেল বনে ॥ ভুজঙ্গের মুখে লাল দেখ দৃষ্টি করি । অবগু ভুজঙ্গ কোন ধনের অধিকারী ॥ হরি বল হরি বল কহিছে বদন । a . বল হরি গর্তে হরি অাছে হরিধন ॥ - ঠাকুর বলেন তবে করে খনন । হরি হরি,বলি মাটি কাটিল বদন। . – দুই চাপ মাটি ফেলে তাহার তলায় । পাইল ধনের ঘড়া কালুবাধে প্রায় ॥ " * - ঠাকুর বলেন ধন আন রে বদন। -_T~ এই ধন ল’য়ে গৃহে করহ গমন ॥ " ཕ༤ཟླ’ বহুদিন বেদনায় ভুগিলি বদন । করিতে নারিলি বাছা অর্থ উপার্জন ॥ সংসারের কার্য্য কিছু করিতে না পার । এই ধন ল’য়ে সংসারের কার্য্য কর ॥ " তোর হরিনামেতে প্রহরী তুষ্ট হ’ল । নিশ্চয় বুঝি ধন তোরে দিয়া গেল । বদন বলেন হরি হরি বল মুখে । - আমি কি করেছি ধন, দিবে সে আমাকে ॥ ~~. কেন হরি মোরে হরি দেহ এই ধন । তুচ্ছ হরি ধন হরি দিয়া বুঝ মন ॥ ওহে হরি ধনে হরি নাহি প্রয়োজন । তুচ্ছ হরি ধনে হরি নাহি লয় মন ॥ হরি লক্ষ্মী হরিণাহ্মী দৃষ্টি করে যারে। হরি বক্স হরি ধন থাকে তার ঘরে ॥ হরি বল বিমলা কমলা যার দাসী । হরি বল যে পদ সেবিকা দিবানিশী। হরি বল যেই ধন বিরিঞ্চি-বাঞ্ছিত। হরি বল সেই ধনে ক’র না বঞ্চিত ॥ হরি বল সেই ধন করহ অর্পণ। হরি বল সেই ধন তব শ্ৰীচরণ ॥ " হরি বল কত আমি দেখেছি খাটিয়া । হরি বর্ণ দেখিয়াছি ধন উপার্জিয় ॥ .الله N হরি বল হেন ঘড়া পূর্ণ ছিল ঘরে। হরি বল সেই ধন কেবা রক্ষা করে। হরি বল কোথা ধন আমি বা কোথায়। হরি বল খাই নাই মরি বেদনায় ॥ হরি বল ক্ষিতি অর্থ লোভে কত লোক । হরি বল খুন করি খাটিছে ফাটক । , হরি বল হরি বিনে শান্তি নাহি মনে। হরি বল কিবা হয় ধনে আর জনে ॥ হরি বল এ ধনে আমার কার্য্য নাই । হরি বল ধন হরি চল হরি যাই ॥ হরি বলে অর্থ যদি অনর্থ কেবল । হরি ধন হরি ল’বে চল হরি বল ॥ হরিকে ডাকেন হরি আর অজগর। হরি ধন হরিব না মোরা যাই ঘর ॥ শুনি অজগর তবে বাহুড়ী আসিল । - ঠাকুরে প্রণাম করি সুড়ঙ্গে পশিল ॥ . প্রভু সঙ্গে-বদন থাকেন একতর । , কভু ঠাকুরের বাড়ী কভু ভক্ত ঘর ॥ কোন কোন লোক যদি হয় ব্যাধিযুক্ত । ঠাকুরের কাছে অ’সে হ’তে ব্যাধি মুক্ত ॥ কারু কারু আজ্ঞা দেন মুষ্টি যোগ করে। কারু বলে ল’য়ে যাও বদন ঠাকুরে ॥ ঠাকুর বলেন তবে বদন ঠাকুরে। - যেই তুমি সেই আমি একই শরীরে ॥ মনুষ্যজীবন মৃত্যু একই সমান । তুই রে বদন মম ধন মন প্রাণ ॥ তোর দেহ নিলাম আমার ইচ্ছামতে । তোর ইচ্ছ। যাহা হয় মোর ইচ্ছ। তাতে ॥ ঠাকুরের আজ্ঞা শুনি বদন উঠিল। ঘুরে ফিরে নাচে যেন মত্ত মাতোয়াল ॥ চরণ চঞ্চল চিত্ত স্থির নাহি হয় । হরি হরি হরি বলে দৌড়িয়া বেড়ায়। হরি বলি যায় চলি নামে করি ভর। মুখ ফিরে যায় বামস্কন্ধের উপর ॥ মহাবেগে চ'লে যান সিংহের সমান। হরিনাম ক্ষান্ত নাই অাড়ল পয়ান ॥ ক্ষণেক বিপথে যান ক্ষণে পথে আসে। ভুজঙ্গ গমন যেন বক্রভাবে বিযে ॥ " অলসেতে চলি কভু করিত শয়ন। ঈষৎ আবেশ নৃিদু চৈতন্থ জীবন ॥ - a¢ ,