পাতা:ষোল আনি (জলধর সেন).djvu/১৩৬

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ষোল-তম নি পিতা, তোমার জনক ; তিনি এখন তোমরা নিকট দেবতা ভাবে পূজিত হইবেন । মানুষের দোষক্ৰট থাকে, তাহার' ও আছে ; কিন্তু তুমি পুত্র হইয়। পিতার আচরণের বিচার করিবার অধিকারী নও। ঘরে ঘরে বাদশাহ আওরংজীবের অধিষ্ঠান কিছুতেই স্কুলজনক নহে। তুমি কখনও তোমার পিতার অবাধ্য হইও না । কিন্তু, তাই বলিয়া তাহার আদেশে যে তুমি অন্তায় ও অধৰ্ম্ম আচরণ করিবে, তাহাও আমি বলিতেছি না। সে স্থলে তুমি দূরে সরিয়া যাইও, স্থানান্তরে চলিয়া যাইও, কিন্তু সন্মুখে দাড়াইয়া স্পদ্ধ ভবে পিতার বিরুদ্ধাচরণ করিও না। এই মনে কর, তিনি যদি আমার সহিত শক্ৰতাচরণ করেন, আমাকে নানা ভাবে বিপণ করিবার আয়োজন করেন, সে স্থলে তুমি বুদ্ধিমান পুত্ৰ, তোমার কওঁব অতি ধীর ভাবে তাহাকে বুঝাইতে চেষ্টা করা । তাহাতে যদি অকৃতকাৰ্য্য হও, তাহা হইলে তাহার দৃষ্টিবর্হিভূত স্থানে চলিয়া যাইবে ; তাহার কার্ষ্যের কোন সংশ্রবে থাকিবে না । ইহাই তোমাল কর্তব্য এবং ইহাই আমার উপদেশ এবং আদেশ । শীতল ঠাকুরের কথা বলিয়াছ। তাহাকে আমি বিশেষ ভাবে জানি। ঐ যাহা বলিয়াছ, গাজার নেশা ব্যতীত তাই এ আর কোন দোষ নাই। তুমি যে ব্যাপারের উল্লেখ করিয়াছ, তাঃ! আমি শীতল ঠাকুর ও পুরোহিত মহাশয়ের নিকট সেই রাত্রিতেই শুনিয়াছিলাম। পাণ লা ঠাকুর ত হাসিয়াই আকুল ! কি যেন একটা কীৰ্ত্তিই সে করিয়া আসিয়াছে। সে তাহার হাস্তের অতিশযে কিছুই বলিতে পারিল না; পুরোহিত মহাশয়ই আদ্যোপাস্ত ব্যাপার বলিয়াছিলেন। ծ ՀԳ