পাতা:সংকলন (১৯২৬) - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/১১০

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


১08 সংকলন মানসিক মেঘরাজ্যের লীলা, সেখানে সীমা বা আকার বা অধিকার -নিৰ্ণয় নাই। সেখানে পলিস বা আইনকাননের কোনো সম্পক দেখা যায় না। অন্যত্র হইতে প্রাপ্ত নিনের ছড়াটির প্রতি মনোযোগ করিয়া দেখন। ওপারে জতিগাছটি জন্তি বড়ো ফলে। গো জন্তির মাথা খেয়ে প্রাণ কেমন করে। প্রাণ করে হাইঢ়াই গলা হল কাঠ। কতক্ষণে যাব রে ভাই হরগৌরীর মাঠ ॥ হরগৌরীর মাঠে রে ভাই পাকা পাকা পান। পান কিনলাম, চুন কিনলাম, ননদ ভাজে খেলাম। একটি পান হারালে দাদাকে বলে দেলাম ॥ দাদা দাদা ডাক ছাড়ি দাদা নাইকো বাড়ি । সবল সবল ডাক ছাড়ি সবল আছে বাড়ি৷ আজ সবলের অধিবাস, কাল সবলের বিয়ে। সবলকে নিয়ে যাব আমি দিগনগর দিয়ে৷ দিগনগরের মেয়েগুলি নাইতে বসেছে। মোটামোটা চুলগুলি গো পেতে বসেছে। চিকন চিকন চুলগুলি ঝাড়তে নেগেছে। হাতে তাদের দেবশাঁখা মেঘ নেগেছে। গলায় তাদের তক্তিমালা রক্ত ছটেছে। পরনে তাদের ডুরে শাড়ি ঘরে পড়েছে। দই দিকে দই কাংলা মাছ ভেসে উঠেছে। একটি নিলেন গরষ্ঠাকুর একটি নিলেন টিয়ে। টিয়ের মার বিয়ে। নাল গামছা দিয়ে৷ অশথের পাতা ধনে । গৌরী বোঁট ক'নে ॥ নকা বেটা বর। ঢ্যাম কুড়কুড় বান্দি বাজে চড়কডাঙায় ঘর। এই-সকল ছড়ার মধ্য হইতে সত্য অন্বেষণ করিতে গেলে বিষম বিভ্রাটে পড়িতে হইবে। প্রথম ছড়ায় দেখিয়াছি আলোচাল খাইয়া সাঁতারাম-নামক নতাপ্রিয় লাখ বালকটিকে ত্রিপাণির ঘাটে জল থাইতে যাইতে হইয়াছিল;