পাতা:সংকলন (১৯২৬) - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/১২৯

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ছেলে-ভুলানো ছড়া > ミ○ করা কেবল আমাদের ছড়ার মধ্যেই দেখা যায়। থৈনা নাচন থেনা ৷ বট পাকুড়ের ফেনা। বলদে খালো চিনা, ছাগলে খালো ধান। সোনার জাদর জন্যে যায়ে নাচনা কিনে আন ॥ কেবল তাহাই নহে। খোকার প্রত্যেক অঙ্গপ্রত্যঙ্গের মধ্যে এই নত্যকে স্বতন্ত্র সীমাবদ্ধ করিয়া দেখা, সেও বিজ্ঞানের দরবীক্ষণ বা অণুবীক্ষণের দ্বারা সাধ্য নহে, স্নেহবীক্ষণের দ্বারাই সম্পভব। হাতের নাচন, পায়ের নাচন, বাটা মুখের নাচন, নাটা চোখের নাচন, কাঁটালি ভুররে নাচন, বাঁশির নাকের নাচন, মূল বেকুর নাচন, আর নাচন কী। অনেক সাধন করে জাদ পেয়েছি। ভালোবাসা কখনো অনেককে এক করিয়া দেখে, কখনো এককে অনেক করিয়া দেখে, কখনো বহৎকে তুচ্ছ এবং কখনো তুচ্ছকে বহৎ করিয়া তুলে। নাচো রে নাচো রে, জাদ, নাচনখানি দেখি।' নাচনখানি ! যেন জাদ হইতে তাহার নাচনখানিকে পথক করিয়া একটি স্বতন্ত্র পদার্থের মতো দেখা যায়; যেন সেও একটি আদরের জিনিস। খোকা যাবে বেড় করতে তেলিমাগাঁদের পাড়া।’ এ পথলে বেড় করতে না বলিয়া বেড়াইতে বলিলেই প্রচলিত ভাষার গৌরব রক্ষা করা হইত, কিন্তু তাহাতে খোকাবাবর বেড়ানোর গৌরব হ্রাস হইত। পথিবীসদ্ধ লোক বেড়াইয়া থাকে, কিন্তু খোকাবাব বেড়' করেন। উহাতে খোকাবাবরে বেড়ানোটি একটা বিশেষ পদাথারাপে প্রকাশ পায় । অবশ্য, খোকাবাব ভ্রমণ সমাধা করিয়া আসিয়া দধের বাটি দেখিয়া ক্ষিপ্ত হইয়া উঠিয়াছেন সে ঘটনাটি গহরাজ্যের মধ্যে একটি বিযম ঘটনা, এবং তাঁহার ه