পাতা:সংকলন (১৯২৬) - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/২৮৫

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


পশ্চিমবাত্রীর ডায়ারি ২৭১ তলে তলে আন্দোলিয়া উঠে তব ধলি, তুণে তৃণে কন্ঠ তুলি উধের চেয়ে কয়— ‘জয়, জয়, জয় ।” সে বিসময় পক্ষেপ পণে গন্ধে বণে ফেটে ফেটে পড়ে ; প্রাণের দুরন্ত ঝড়ে, রাপের উম্মত্ত নতো, বিশবময় ছড়ায় দক্ষিণে বামে সজেন প্রলয় ; সে বিস্ময় সুখে দুঃখে গজি উঠি কয়— ‘জয়, জয়, জয় ।” তোমাদের মাঝখানে আকাশ অনন্ত ব্যবধান, উধবর্ণ হতে তাই নামে গান। চিরবিরহের নীল পতখানি-‘পরে তাই লিপি লেখা হয় অগ্নির অক্ষরে। বক্ষে তারে রাখ, শ্যাম আচ্ছাদনে ঢাক ; বাক্যগুলি পম্পেদলে রেখে দাও তুলি— মধ্যবিন্দর হয়ে থাকে নিভৃত গোপনে, পন্মের রেণরে মাঝে গন্ধের স্বপনে বন্দী কর তারে, তরণীর প্রেমাবিল্ট অখির ঘনিষ্ঠ অন্ধকারে রাখ তারে ভরি, সিন্ধর কল্লোলে মিলি নারিকেলপল্লবে মমরি সে বাণী ধবনিতে থাকে তোমার অন্তরে, মধ্যাহ্নে শোন সে বাণী অরণ্যের নিজান নিঝ"রে । বিরহিণী, সে লিপির যে উত্তর লিখিতে উন্মনা আজো তাহা সাঙ্গ হইল না । যুগে যাগে বারবার লিখে লিখে বারবার মুছে ফেল; তাই দিকে দিকে সে ছিন্ন কথার চিহ্ন পঞ্জে হয়ে থাকে ;