পাতা:সংবাদপত্রে সেকালের কথা প্রথম খণ্ড.djvu/২৭৪

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


RN939 মংবাদ পত্রে মেকালেৰ কথা ( ৪ অক্টোবর ১৮২৩ । ১৯ আশ্বিন ১২৩০ ) { বড় খান।—বড় আদালতের কৌশিলি শ্ৰীযুত ফারগিসন সাহেব অতিত্বরায় বিলাত গমন করিবেন তৎপ্রযুক্ত র্তাহার প্রীত্যর্থে ত্রযুত বাবু কাশীনাথ মল্পিক আপন বাটতে ফারগিসন সাহেবকে এবং উভয়ের আত্মীয় শ্ৰীযুত পেম্বরটন ও শ্ৰীযুত টরটন ও শ্ৰীযুত হুইটলি ও শ্ৰীযুত ওডোঁড সাহেব প্রভৃতি কএক জন বড় আদালতের কৌশিলি এবং শ্ৰীযুত ইসমন্ট সাহেব প্রভৃতি কএক জন উকিল সাহেবেরদিগকে নিমন্ত্ৰণ করিয়া আনিয়া অতি উপাদেয় চৰ্ব্ব্য চুষ্য লেহ্য ও নানাপ্রকার পেয় দ্রব্যের বড় থানা দিয়াছেন। সাহেব লোক খানা খাইয়া মহানন্দে আনন্দিত হইয়া গান এবং উৎসাহজনক ধ্বনি করিলেন এবং কএক বার করতালি দিলেন পরে মেং ফারগিসন সাহেব বাবুর গুণ বর্ণন করিয়া অনেক বক্তৃতা করিলেন পরে থানাঘরহইতে সাহেবেরা নাচ ঘরে গিয়া অপূৰ্ব্ব২ নৰ্ত্তকীর মৃত্য গীতাদি দর্শন শ্রবণানন্তর সকলে স্বস্বস্থানে প্রস্থান করিলেন।••• আমার বোধ হয় যে শ্ৰীযুত ফারগিসন সাহেবের প্রীত্যর্থে অনেকেই খানা দিতে পারেন যেহেতু ইহার বিদ্যা বুদ্ধি বিবেচনা ধাৰ্ম্মিকতা দয়াশীলতা ক্ষমতা বক্তৃতা পরোপকারিতা অনেকে বিশেষরূপে বিদিত আছেন এবং অনেক দীন দরিদ্র লোক উপকারদ্বারা নিতান্ত বাধিত আছে অতএব এমত লোকের যাহাতে প্রীতি জন্মে তাহা তাহার ভাগ্যবান আত্মীয়েরা অবশু করিবেন। - ( ৩১ জানুয়ারি ১৮২৪ । ১৯ মাঘ ১২৩০ ) শ্ৰীযুত ফারগীসন সাহেবের ইউরোপ প্রস্থান —২৪ জানুআরি ১২ মাঘ শ্ৰীযুত ফারগীসন সাহেব আদালতের ঘরে গিয়া তৎসম্পৰ্কীয় সাহেব লোকের ও অন্য২ সাহেব লোকেরদের সহিত ও এতদেশীয় অনেক ভদ্র লোকের সহিত বহুবিধ শিষ্টাচার করিয়া প্রায় সন্ধার সময়ে কলিকাতাহইতে প্রস্থান করিয়াছেন । ( ২৯ নবেম্বর ১৮২৩ । ১৫ অগ্রহায়ণ ১২৩৭ } শ্ৰীশ্ৰীযুত লার্ড বিসাপ সাহেবের উষ্ঠান দর্শন – ৮ আগ্রহায়ণ শনিবার শ্ৰীশ্ৰীযুত লার্ড বিসাপ সাহেব শ্ৰীযুত বাৰু হরিমোহন ঠাকুরের গুপ্ত বৃন্দাবননামক উদ্যান দেখিতে গিয়াছিলেন তাহার স্থূল বিবরণ। o দিবা দুই প্রহর পাচ ঘণ্টার সময় সাহেব বিবি সাহেবের সহিত উদ্যানে উপস্থিত হইলেন তৎকালে বাবুর কনিষ্ঠ ভ্রাতা শ্ৰীযুত বাৰু লাড়লিমোহন ঠাকুর পুত্র পৌত্র ভ্রাতৃপুত্র দৌহিত্র বন্ধু বান্ধব ভূত্য বর্গে বেষ্টিত হইয়া সাহেবের আগ বাড়ান হইলেন। লার্ড সাহেব বাবুর সহিত এবং পাত্র বিশেষের সহিত সেকহেণ্ড অর্থাৎ হস্ত গ্রহণপূর্বক সম্মান প্রদান করিলেন। পরে বিবি সাহেবকে এক তমিজানের উপর আরোহণ করাইয়া বাবুর উভয় পাশ্বে বেষ্টিত হইয়া উদ্যানের মধ্যে ভ্রমণ করত নানাশ্চর্ষ্য দর্শন করাইতে লাগিলেন ।