ধৰ্ম্ম ২২৩৭ কলিকাতাস্থ ও তাহার চতুর্দিকস্থ তামসিক লোকেরা দেখিয়া আপন২ মনোরথ পূর্ণ করিয়াছে। ও তাহাতে মজলিস নাচপ্রভৃতি অতিক্ষুন্দর হইয়াছিল। ঐ বিবাহের পূৰ্ব্বে শুনা গিয়াছিল যে বরকত্তার কোনহ অন্তরঙ্গ লোক পরামর্শ দিয়াছিলেন যে রোশনাইপ্রভৃতিতে ব্যয় অল্প করা যায় এবং ষে দুঃখি ব্রাহ্মণের অধিক ধনব্যতিরেকে বিবাহ করিতে পারে না ধনব্যয় করিয়া তাহারদের বিবাহ দিলে অতিভালো হয় । বরকর্তা তাহা করিলেন না। যদি এই মত করিয়া আপন পুত্রের বিবাহ দিতেন তবে অতিম্বন্দর হইত যেহেতুক অনেক লোকের উপকার হইত যাহারা বহু ধন ব্যতিরেকে বিবাহ করিতে পারে না তাহারদের এত ধনোপার্জন কোথা হয় এইপ্রযুক্ত অনেকের বিবাহ হয় না যদ্যপি কাহারো হয় তথাপি তাহারো অতিকষ্টে ভূম্যাদি বন্ধক দিয়া ঋণ দ্বারা বিবাহ নিম্পন্ন হয় পরে ঐ ঋণদ্বারা অশেষ ক্লেশ হয়। যদ্যপি এমন দুই তিন শত লোককে ডাকিয় তাহারদের বিবাহ দেওয়া যাইত তবে এ দেশের অনেক উপকার হইত। যদি বরকত্ত্ব মুখ্যাতি চাহিতেন তবে এমত কৰ্ম্ম করিলে তাহার নাম ও ঐ বিবাহের নাম অক্ষয় হইত যেহেতুক রোশনাইর গন্ধ যেমন আকাশে বিস্তরক্ষণ থাকে না তেমন লোকেরদের মনেও বিস্তরক্ষণ থাকে না যদি ঐমত দুঃখি ব্রাহ্মণেরদের বিবাহ দেওয়া যাইত তবে তাহারদের বংশ যাবৎ থাকিত তাবৎ ঐ কৰ্ম্মের স্বগন্ধ থাকিত। এই কথা লিখিবার পরে সমাচার পাওয়া গেল যে ঐ বিবাহে কলিকাতার ছোট আদালত জেলের কএদি অনেক দুঃখি লোকেরদিগকে আপন ধন দানদ্বারা মুক্ত করিয়াছেন এ অতি উত্তম কৰ্ম্ম এই কৰ্ম্মের ফল উত্তম ও বহু কালপর্য্যস্ত থাকিবে । 響 ( ৬ ফেব্রুয়ারি ১৮১৯ । ২৫ মাঘ ১২২৫ ) শ্ৰীযুত রামগোপাল মল্লিকের পুত্রের বিবাহ —ঐ বিবাহেতে অনেক কাঙ্গালি লোক জমায়ত হইয়াছিল তাহারদের বিদায়ের সময়ে এক বাটতে তাহারদিগকে পূরিতে দুই জন কাঙ্গালি মরিয়াছে আর এক জন আঘাতী হইয়াছে । ( ২৭ মার্চ ১৮১৯ | ১৫ চৈত্র ১২২৫ ) শ্ৰীযুত কোঙর হরিনাথ রায় বাহাদূরের বিবাহ —মুরশেদাবাদের কাশমবাজারের শ্ৰীযুত কোঙর হরিনাথ রায় বাহাদ্বরের শুভবিবাহ ১৬ ফাল্গুণ হইয়াছে তাহার বরাওর্দ দুই লক্ষ টাকা সময় মতে জিনিসের কমদামে অধিক ব্যয়ে যেমত বিবাহ হইয়াছে এমত বিবাহ ভদ্দেশে কাহার হয় নাই ও কেহ দেখেন নাই ইহার বিস্তারিত রওয়াএশ ঝাড় বাগীচ কাপড়ের ও আবরক ও মুখী বাগীচা ও নানাজাতি বৃক্ষ সকল আম্র কাঠাল আনারশ কামরাঙ্গা দাড়িম জাতা ও ফুল নানাজাতি নিৰ্ম্মিত হইয়াছিল বিজ্ঞ মনুষ্যেতে চারি দণ্ড
পাতা:সংবাদপত্রে সেকালের কথা প্রথম খণ্ড.djvu/৩০৫
অবয়ব