পাতা:সংবাদপত্রে সেকালের কথা প্রথম খণ্ড.djvu/৩৮২

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


*g@ মংবাদ পত্রে মেকালের কথা ( ৩ মে ১৮২৮ । ২২ বৈশাখ ১২৩৫ ) কলিকাতার ডাকঘর —২৬ এপ্রিল তারিখে ডাকঘরের অধ্যক্ষ শ্ৰীযুত এলিয়েট সাহেব এই সমাচার দিলেন যে চৌরঙ্গীর ১৩ নম্বরের বাটতে ডাকঘরের কাছারী বসিবে । ( ৩০ মার্চ ১৮২২ ৷ ১৮ চৈত্র ১২২৮ ) কলিকাতা ॥—ইংল্পগু দেশে নলদ্বারা এক কল স্বষ্টি হইয়াছে তাহার দ্বারা বায়ু নিৰ্গত হইয় অন্ধকার রাত্রিতে আলো হয় । সংপ্রতি শুনা গেল যে মোকাম কলিকাতার ধৰ্ম্মতলাতে প্রযুত ডাক্তর টেস্মিন সাহেব আপন দোকানে ঐ কল স্বষ্টি করিয়াছেন অকুমান হয় যে লাটরির অধ্যক্ষেরাও লাটিরির উপস্বত্বহইতে কলিকাতার রাস্থাতে ঐ রূপ আলো করিবেন।

  1. ( ২৭ এপ্রিল ১৮২২ । ১৬ বৈশাখ ১২২৯ ) ছকড়া গাড়ি ॥—মোকাম কলিকাতাতে ছকড়া গাড়ির উৎপাতে রাস্থায় চলা ভার***

( ২ জুন ১৮২৭ । ২১ জ্যৈষ্ঠ ১২৩৪ ) ঠিক বেহর ।—.আমরা শুনিয়াছি যে কলিকাতাস্থ তাবৎ ঠিকা বেহারারদিগকে পুলিলে ডাকাইয়া মাজিক্সিট সাহেব লোকের উত্তমরূপে এই আইনের বিশেষ বুঝাইয়াছেন এবং তাহারদের সকল ওজরও শুনিয়াছেন । শুনা গিয়াছে যে চাপরাসের মুল্যের বিষয়ে তাহারদের প্রধান ওজর ছিল কিন্তু মাজিস্ত্রিট সাহেবেরা ঐ মূল্য তাহারদিগকে ক্ষমা করিয়াছেন। তাহারদের প্রত্যাগমনকালে এমত বোধ হইল যে তাহারদের সকল ওজর মিটিয়া গিয়াছে এবং তাহারা সকলেই স্ব২ কৰ্ম্মে নিযুক্ত থাকিবেক কিন্তু এখন কলিকাতায় এক বেহারারও মুখ দেখা যায় না ইহাতে অনুমান হয় যে ইহার মধ্যে কিছু দুষ্টতা থাকিবেক কিম্বা কেহ তাহারদিগকে কুমন্ত্রণ দিয়া থাকিবেক এই নূতন ব্যবস্থাবিষয়ে কেহ২ এই এক ওজর করে যে কেবল সময়ামুসারে হার নিরূপিত হওয়াতে তাহারদের পক্ষে অনেক ক্ষতি অতএব সময়ানুসারে হার না করিয়া যদি দূরদূর বুঝিয়া করা যাইত তবে ভাল হইত যেহেতুক কলিকাতাহইতে কালীঘাটে কোন বাবুকে লইয়া যাইতে হইলে মরেপিটে এক ঘণ্টার মধ্যে যাওয়া যায় এবং সে এক ঘণ্টার মজুরি তাহারা প্রত্যেকে কেবল এক২ আনা করিয়া পাইবেক কিন্তু সেই এক ঘণ্টায় তাহারদের তাবৎ দিবসের বল যাইবে । , আরো কলিকাতার এক ইংরাজি সমাচারপত্রে বেহীরারদের পক্ষপাতী হইয়া কেহ লিথিয়াছেন যে সময়ানুসারে বেতন নিরূপণের নূতন আইন হওয়াতে বেহারারদের প্রাণ লইয়া টানাটানি হইয়াছে যেহেতুক বেহারারদের ঘড়ী নাই আরোহকেরদের ঘড়ী আছে এবং ইতরলোক অপেক্ষা মান্তলোকের কথা প্রায় সৰ্ব্বত্রই অধিক মান্ত । এমন অনেক মান্তলোক