পাতা:সংবাদপত্রে সেকালের কথা প্রথম খণ্ড.djvu/৩৮৭

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


বিবিধ Nడి 8న్స్ গিয়াছে যে ঐ রাস্ত বহরমপুর অবধি লালবাগপৰ্য্যস্ত হইবেক এক্ষণে খাগড়াপধ্যস্ত রাস্তা প্রস্তুত হইয়াছে ঐ রাস্তার ধারে চীনকের রাস্তার মত বৃক্ষ রোপণ হইয়াছে ইহাতে শহর অতিআশ্চৰ্য্য শোভাকর দেখা যাইতেছে শহর মুরশিদাবাদ পূৰ্ব্বে অভিমনোহর স্থান ছিল পরে ক্রমে২ ভগ্ন হওয়াতে মরুভূমিতুল্য হইয়াছে বহরমপুরে ইষ্টেসিয়ান অর্থাৎ ছাউনি হওয়াতে এপর্য্যস্ত শহর আছে এক্ষণে শ্ৰীশ্ৰীযুত কোম্পানি বাহাদুরের যে প্রকার মনোযোগ দেখা যাইতেছে ইহাতে অল্পমান হয় যে ঐ শহরের পুনরুম্নতি হইতে পারিবেক । তিং নাং ( ৪ অক্টোবর ১৮২৮। ২০ আশ্বিন ১২৩৫ ) নূতন পথ —ভাগীরথীর পূর্ব অংশে টিটেগড় গ্রামে এক ক্ষুদ্র পথ আছে টিটেগড়হইতে স্থখচর যাইতে অত্যন্ত্র দূরেই এই রাস্ত পাওয়া যায় ইহার পরিসর বিস্তর নহে কিন্তু পদব্রজে অথবা শকট আরোহণে যাইতে লোকেরদের বিস্তর ক্লেশ হয় বিশেষতঃ বর্ষার সময়ে কর্দমজন্য তাবতে অত্যন্ত দুর্গম বোধ করেন এমত বিজ্ঞ শ্ৰীযুত ত্রবর এবং সিক্সিপিয়র সাহেবপ্রভৃতি সেই রাস্তা ভাঙ্গিয়া রুপাপুৰ্ব্বক বৃহৎ রাস্ত করিবেন কল্প করিয়া কতকগুলিন বন্দুয়ান চোর আনিয়া উদ্যোগ করিয়াছেন ইহা শীঘ্র হইবেক শুনা যাইতেছে আমরা মহাহৰ্ষপূৰ্ব্বক লিখিতেছি যে শ্ৰীযুত সাহেবের এরূপ লোকেরদের প্রতি দয়াপ্রকাশে তাহারদের প্রতিষ্ঠার সীমা নাই এবং তত্রস্থ লোকেরাও এরূপ ব্যাপার দেখিয়া বহুতর প্রশংসা করিতেছে । ( ২৫ মে ১৮২২ । ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১২২৯ ) নূতন ঘাট —শ্ৰীযুত লেপ্তেনন্ত ডিবিউন সাহেব শ্ৰীশ্ৰীযুতের আজ্ঞাপ্রমাণে মোং হরিদ্ধারে এক অতিক্ষুন্দর ঘাট প্রস্তুত করিতেছেন এবং সেখানে বড় রাস্থার ধারে এক পুষ্করিণী সাবেক আছে তাহারও পঙ্কোদ্ধার করিতেছেন এবং অনেক খরচ করিয়া সেখানে অনেক প্রকার স্থান প্রস্তুত করিতেছেন । ( ৩০ আগষ্ট ১৮২৩ । ১৫ ভাত্র ১২৩° ) রজুময় সাকো —শুনা গেল ষে শ্ৰীযুত রাজা শিবচন্দ্র রায় পরোপকারার্থে কৰ্ম্মনাশ৷ নদীতে এক রজ্জ্বময় সাকো নিৰ্ম্মাণ করিতে শ্ৰীযুত সেন্সপিয়স সাহেবকে অনুমতি দিয়াছেন তাহাতে কাশীর উত্তর পশ্চিম বিশ পচিশ ক্রোশ দূরস্থ লোকেরদের কাশী আগমনের অতিমুগম হইবেক । এই বিষয়ে গবৰ্ণমেস্ত সন্তুষ্ট হইয়া ঐ রাজার স্বখ্যাতি করিয়াছেন যেহেতুক তিনি স্বদেশীয় লোকেরদের উপকারার্থে ঐ সাকে নিৰ্ম্মাণের তাবৎ ব্যয় আপনি দিতে স্বীকার করিয়াছেন। আর ঐ সাহেব ভোজপুরের নিকটে ভেড়ের খালেতে যেমন রজুমন্ত্র সাকে করিয়াছেন সেই মত সাকো কৰ্ম্মনাশা নদীতে করিতে গবৰ্ণমেস্ত আজ্ঞা করিয়াছেন ।