পাতা:সংবাদপত্রে সেকালের কথা প্রথম খণ্ড.djvu/৪০৯

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


বিবিধ פלרפא করিতাম তাহাতে তিনি আজ্ঞা দিয়াছেন যে তোমরা পরদ্রব্যাপহরণপূর্বক কাল যাপন করিবা ইহাতে তোমারদিগের পাপ নাই। এই জাতীয় লোকেরা তিন পুরুষ পূৰ্ব্বে মাড়োয়ার দেশ ত্যাগ করিয়া মালোয়া দেশে আসিয়া বসতি করিয়াছে এখন তাহারা দেড় শত ঘর হইয়াছে। তাহারা মহিষ ভক্ষণ করে একারণ হিন্দুরদিগের সহিত তাহারদিগের ব্যবহার্য্যতা নাই এবং হিন্দুলোকেরা তাহারদিগকে অতি তুচ্ছ করে। তাহার। ভূতকে অধিক ভয় করে তাহারদিগের মধ্যে প্রায় বার আন লোক ভূতের অনুগ্রহ লাভার্থে কোন দ্রব্য বিশেষ হস্তে বাধিয়া রাখে এবং তাহারা জানে যে তাহারা মরিলে ভূত হয় ও যে যাহাকে জীবৎ সময়ে প্রীতি করে সে মরিলে তাহার নিকটে আইসে এবং তাহারদিগের স্ত্রী লোকেরা চিনী ও নারিকেল ভক্ষণ করে না ও রেসমীয় বস্ত্র ও ঘাঘরা পরিধান করে না তাহারদিগের নাম রাথর ও পোয়ারভটী ও মকোনাহারা ও চোহান প্রভৃতি রজপুত নামের সদৃশ নাম । ইহাতে কেহ কেহ কোন রাজপুতকে জিজ্ঞাসা করিয়াছিল যে এ লোকেরদিগের নাম তোমারদিগের সদৃশ ইহাতে বোধ হয় যে ইহার তোমারদিগের জাতিহইতে নির্গত হইয়াছে। তাহাতে ঐ রজপুত রাগ করিয়া কহিল যে নী উহারা অতিনীচ জাতি আমারদিগের জাতিহইতে কখন নির্গত হয় নাই কেবল লোক জানান কারণ এ সকল নাম রাখে এবং সেই লোকেরা যত শীঘ্ৰ নাশ হয় সেই ভাল । ইহারদিগের মধ্যে কতক লোক মোকাম ভোপালে থাকে সেখানে শ্ৰীযুত মেজর হেন্দ্রি সাহেব মোক্তিয়ার আছেন তিনি তাহারদিগের কুস্বভাব ছাড়াইতে অনেক চেষ্টা করিয়াছেন তাহাতে অনেক শক্তি হইয়াছে তথাপি চুরি করিতে গিয়াছে কি ঘরে আছে ইহা জানিবার কারণ রাত্রির মধ্যে দুইবার দেখিতে হয়। তাহারদের মধ্যে যাহারা সুস্বভাব হইয়াছে তাহারদিগকে পুলবন্দি প্রভৃতি কৰ্ম্মে নিযুক্ত করিয়াছেন তথাপি তাহারদিগের ব্যবহার ও বাক্য স্বতন্ত্রই আছে যেহেতুক ভদ্র লোকের সহিত তাহারদিগের চলন নাই তাহারদিগের মধ্যে কোন বিবাদ হইলে আপনারদিগের পঞ্চাইতের মধ্যেই নিম্পত্তি হয় সেই পঞ্চাইতের তাহারদিগের কিঞ্চিৎ জরিপানা করে । পরস্ত্রীগমনে কিছু অধিক জরিপানা করে এই জরিপানার টাকা লইয়া মদ্য ক্রয় করিয়া সকলে পান করে বিশেষত আসামী ফৈরাদী অধিক পান করিয়া মত্ত হয় তখনি স্থির করে যে অদ্য কোন ঘরে চুরি করিব। - ( ১৭ আগষ্ট ১৮২২ । ২ ভাত্র ১২২৯ ) গোরক্ষনাথ যোগী ॥—মাড়বার দেশের অস্তঃপাতি গিরিনার নামে পৰ্ব্বতে গোরক্ষনাথ নামে এক ব্যক্তি সিদ্ধ পুরুষ বসতি করিতেন তিনি কতক রাজাকে ও অনেক উদাসীনকে শিষ্য করিয়াছিলেন উদাসীন শিষ্যেরদের বিশেষ চিহ্নের কারণ ঐ মহাপুরুষ তাহারদের কর্ণ বিদ্ধ করিয়া তাহাতে মুদ্রা অর্থাৎ কুগুল দিয়াছিলেন তদবধি তাহারা কানকাটা নামে খ্যাত আছে এবং তন্মতাবলম্বী প্রত্যেকে ঐ মুদ্রাধারণ করে। সে কুণ্ডল গণ্ডার শৃঙ্গের ও প্রস্তরের ও বেলোরের ও মৃত্তিকার ও স্বর্ণের হইয়া থাকে। তাহার শিন্যেরা গোরক্ষনাথ যোগী নামে