পাতা:সংস্কৃত সাহিত্যের কথা - নিত্যানন্দ বিনোদ গোস্বামী.pdf/১০

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে চলুন অনুসন্ধানে চলুন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।

8 সংস্কৃত সাহিত্যের কথা তালপাতা বাদে ভূৰ্জপাতাতে লেখার কাজ চলত। মধ্য যুগে ভূৰ্জপাতায় লেখা বই বেশ করে ফুড়ে বাধিয়ে রাখা হোত তারও নিদর্শন পাওয়া যায়। হিমালয়ের পাদদেশে ভূৰ্জপত্রই বেশি ব্যবহৃত হোত। ভূৰ্জপাতায় লেখা সবচেয়ে পুরোনো বই যা পাওয়া গেছে তা তৃতীয় খ্ৰীস্টাব্দে লেখা ধম্মপদ নামে পালি ভাষার একখানা বই। ংযুক্তাগমসূত্র নামে একখানা বৌদ্ধ সংস্কৃত বই পাওয়া গিয়েছে সেখানা চতুর্থ খ্রীস্টাব্দে লেখা অনেকে মনে করেন। এদেশে কাগজে লেখা বই সবচেয়ে প্রাচীন যা পাওয়া গিয়েছে তা নাকি ১৩শ খ্রীস্টাব্দের । মধ্য এশিয়াতে খুড়ে যে সব বই পাওয়া গিয়েছে তার মধ্যে যেগুলি কাগজে লেখা সেগুলি চতুর্থ খ্রীস্টাব্দের হওয়া উচিত এইকথা অনেকে বলেন। একথা মনে রাখা দরকার যে কাগজ চীনারা প্রথম আবিষ্কার করে, সেও আবার হাজার দুহাজার বছর আগে । এসব ছাড়া স্বতোর কাপড়ে রেশমী কাপড়ে, কাঠের পাটায়, চামড়ার ওপরে, ংস্কৃতে লেখা অনেক বই পাওয়া যায়। এইসব বই বিভিন্ন দেশের মিউজিয়মে রক্ষিত আছে। তারপর ছোটো বড়ো দানপত্র প্রশস্তি প্রভৃতি পাথর ইট আর সোনা রুপো তামা প্রভৃতি ধাতুর পাতের ওপর লেখা পাওয়া যায়। বইয়ের শ্ৰেণীবিভাগ বিখ্যাত পণ্ডিত উইণ্টারনিজ লিখছেন– “সাহিত্য শব্দের বা কিছু ব্যাপক অর্থ হোতে পারে তা সমস্তই সংস্কৃতে বর্তমান রয়েছে।” ধর্ম সম্বন্ধীয় বা ঐহিক বিষয়ের ( সেকুলার ) মহাকাব্য, গীতিকবিতা ( লিরিক ) নাটক, নীতি, বর্ণনাত্মক, অলংকার বৈজ্ঞানিক প্রভৃতি বিবিধ বিষয়ে সংস্কৃতসাহিত্য ভরপুর। আপাতত আলোচনার স্ববিধের জন্য নিম্নলিখিতভাবে সংস্কৃত সাহিত্যকে ভাগ कब्र ८गंज