পাতা:সংস্কৃত সাহিত্যের কথা - নিত্যানন্দ বিনোদ গোস্বামী.pdf/১২

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে চলুন অনুসন্ধানে চলুন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।

বৈদিক SACMeieeBBA AJHtAAASA SSASAS SSAS (১••• খ্রীস্টপূর্বাব্দ পর্যন্ত ) الله ,"} ” ۱ “ ا۲” “«“ ب به ,:م,,، يپپېلمپر একে চন্দ্র, দুয়ে পক্ষ, তিনে নেত্র, চারে বেদ– এই চারবেদের কথা সবাই শুনেছে । সেই চার বেদ হচ্ছে— ঋক্, যজু, সাম ও অথর্ব। "ঋক্‌বেদ আর অথর্ববেদ বিভিন্ন দিক দিয়ে নানাবিষয়ে ভরা। এইজন্তে এর মহত্বও বেশি। সামবেদ আর যজুর্বেদের বেশি সম্বন্ধ যজ্ঞের সঙ্গে । বেদ সম্বন্ধে কিছু বলবার আগে একটি কথা বলা আবশুক । বেদপন্থীরা বলেন বেদ কারো রচিত নয়। এমন কি ঈশ্বরও রচনা করেননি। বেদ আপনি হয়েছে। একথা অবশু বিশ্বাসের কথা। কিন্তু ঐতিহাসিক দৃষ্টিতে একথা অস্বীকার্য, আমরা যখন ইতিহাসের পথ ধরে চলেছি তখন সব শাস্ত্রকেই তৈরি বলে মেনে নিয়ে চলেছি । ঋগ্‌বেদের মন্ত্রগুলি কবে রচিত হয় তা নিয়ে নানা মুনির নানামত। বেশির ভাগ মনীষীই স্বীকার করেন যে খ্রীস্টপূর্ব দেড় হাজার বছর আগেই মন্ত্র রচনা শেষ হয়ে গিয়েছিল। ঋগ বেদের সমস্ত মন্ত্র এক ছাদের নয়। কোথাও এর ভাষায় প্রাচীনতা কোথাও বা ভাষার নবীনতা পরিলক্ষিত হয়। কোনো কোনো পণ্ডিত বলেন সামবেদের আর অথর্ববেদের অনেক মন্ত্র ঋগ্‌বেদের চেয়ে প্রাচীন। অথর্ববেদে লোকপ্রচলিত এমন অনেক টোটক ওষুধের কথা আছে যা নাকি জর্মনি আর পোলাণ্ডের প্রচলিত প্রাচীন যুগের টোটকার সঙ্গে মিলে बांध्र । বেদের ভান্য যা আজকাল প্রচলিত তা বেশিদিনকার নয়। সায়নের ভায় ১৪শ খ্ৰীষ্টাৰে লেখা। বাঙালি পণ্ডিত নগুড়াচার্ধের ভায় ১০ম খ্ৰী: লিখিত। স্কন্ধস্বামীর ভাস্কও কিছু প্রাচীন। এইসব বেদের ব্যাখ্যা পরম্পরা রূপে চলে আসার কোনো কোনো স্থলে বেদমন্ত্রের অর্থ যথাযথ খোলেনি। তবু ম্যাক্সমুলবের ভাষায় বলতেই হয়—