পাতা:সংস্কৃত সাহিত্যের কথা - নিত্যানন্দ বিনোদ গোস্বামী.pdf/১৯

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে চলুন অনুসন্ধানে চলুন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।

পুরাণ ইতিহাস |రి পাণিনি বড়ো কঠিন, সেজন্যে ব্যাকরণকে সরল ও সহজবোধ্য করবার দরকার হয়। পাণিনির ওপর এখনো পর্যন্ত ব্যাখ্যা রচিত হচ্ছে । পাণিনি ছাড়া অন্য প্রসিদ্ধ ব্যাকরণ হচ্ছে— কলাপ (২য় খ্ৰী: ) চন্দ্র (৬ষ্ঠ খ্ৰী: ) জিনেজ ( ৮ম খ্ৰী: ) সংক্ষিপ্তসার (৯ম খ্ৰী: ) সারস্বত ( ১১শ খ্ৰী: ) স্বপদ্ম, হেমচন্দ্র (১২শ খ্ৰী: ) মুগ্ধবোধ ( ১৩শ খ্ৰীঃ), ভট্রোজী দীক্ষিতের প্রণীত সিদ্ধান্তকৌমুদী নামে পাণিনির ব্যাখ্যা ভারতে বর্তমানকালে সবচেয়ে লোকপ্রিয় আর বেশি প্রচলিত । পুরাণ ইতিহাস ( খ্ৰীস্টপূর্ব ৬০ ০ থেকে ৪• ০ পর্যস্ত ) পূর্বোক্ত কালকে স্থত্রযুগ বলা যেতে পারে কেননা তখন সব শিক্ষণীয় বিষয় সূত্রাকারেই রচিত হোত এর পর একরকম ছন্দ খুব লোকপ্রিয় হয়ে ওঠে এই ছন্দের নাম অম্বষ্টভ। সাধারণে শ্লোক নামে প্রসিদ্ধ। এক এক লাইনে আটটি করে অক্ষর। চার লাইনের ছন্দ । এই রকম— শ্লোকে ষষ্ঠং গুরু জ্ঞেয়ং সর্বত্র লঘু পঞ্চমম, দ্বিচতুঃপাদয়োর হ্রস্বং সপ্তমং দীর্ঘমন্তয়োঃ পুরাণ ইতিহাসের বারো আনা ভাগই এই ছন্দে লেখা । পুরাণে স্বষ্টির কথা বড়ো বড়ো রাজবংশের কথা, ধর্ম কর্মব্রত নিয়মের কথা আছে। বৈদিকযুগে কোনো প্রাচীন গল্প বলবার সময় “ইতি হ আস” অর্থাৎ এইরকম ছিল— বলে গল্প আরম্ভ করা হোত। তার থেকে প্রাচীন কোনো গল্প वा कांश्निौब्र নাম ইতিহাস হয়েছে। উপনিষদ আর ব্রাহ্মণের মধ্যে অনেক প্রাচীন ইতিহাস বা গল্প রয়েছে। এখন এইজাতীয় গ্রন্থগুলির মধ্যে সর্বপ্রাচীন রামায়ণ আর মহাভারত। রামায়ণ বাল্মীকি আর মহাভারত বেদব্যাস রচনা