পাতা:সংস্কৃত সাহিত্যের কথা - নিত্যানন্দ বিনোদ গোস্বামী.pdf/২৩

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে চলুন অনুসন্ধানে চলুন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।

দর্শনশাস্ত্র ›ፃ করেছেন। তাদের বই এখন পাওয়া যায় না। পরবর্তীকালে এ বিষয়ে অনেক বই রচনা করা হয়েছিল। সেগুলি তত ভালো হয়নি। সেগুলির মধ্যে কক্কোক কৃত রতিরহস্য প্রামাণিক ও আদৃত। মল্লিনাথ প্রভৃতি টীকাকারের রতিরহস্ত থেকে অনেক প্রমাণ উদ্ধৃত করেছেন । • * দর্শনশাস্ত্র ( ২০০ খ্রীস্টাব্দ থেকে ৮০০ পর্যন্ত ) উপনিষদের আত্মতত্ত্ব ক্রমেই পরিস্ফুট হয়ে পরবর্তীকালে দর্শনশাস্ত্রে রূপান্তরিত। বেদপন্থার প্রতিদ্বন্দ্বী জৈন আর বৌদ্ধ দর্শন। তবু তার ওপর উপনিষদের প্রভাব বেশ লক্ষিত হয়। কারো কারো মতে দার্শনিক অধ্যাত্মবাদের মূল আর্ঘেতর জাতির। যাই হোক বর্তমানে প্রচলিত দর্শনগুলির মূল যে উপনিষদ তা অস্বীকার করবার যো নেই । দর্শনকে মোটামুটি তিনভাগে ভাগ করা যেতে পারে। সাংখ্য, মীমাংসা ও ন্যায় । নিরীশ্বর আর সেশ্বর ভেদে সাংখ্য, পূর্ব আর উত্তর ভেদে মীমাংসা, ন্যায় আর বৈশেষিক ভেদে ন্যায়কে ধরে দর্শন ছয় রকমের । এই ষড়দর্শনই ভারতের গৌরব স্থল। পরে দর্শনগুলির নানা শাখা স্থষ্ট হয়েছে। সবচেয়ে প্রাচীন দর্শন হল সাংখ্য । কপিলমুনি এর রচয়িতা । ইনি ঈশ্বর সম্বন্ধে স্পষ্ট কিছু স্বীকার করেননি বলে এর মত নিরীশ্বর। জৈন আর বৌদ্ধ মতের ওপর সাংখ্যের প্রভাব আছে একথা অনেকে বলেন । মূল সাংখ্য স্বত্রগুলি কালক্রমে নষ্ট হয়ে গেলে তার পর বতর্মান সাংখ্য স্বত্র রচিত হয়। এর ভাষ্য করেছেন, অনিরুদ্ধ আর বিজ্ঞানভিক্ষু । কিন্তু সাংখ্য মতের সবচেয়ে প্রামাণিক গ্রন্থ হল, ঈশ্বরকৃষ্ণকৃত সাংখ্যকারিকা। এখানি ৭•টি পদ্যে সম্ভবত •• খ্ৰীষ্টাব্দে লেখা। সাংখ্যকারিকার ওপর মাঠর গৌড়পাদ, বাচস্পতিমিশ্র প্রভৃতি অনেকের ব্যাখ্যা আছে। পতঞ্জলিমুনি যোগদর্শন লেখেন। এ মতও অনেকটা সাংখ্যের মত, এতে ९