পাতা:সংস্কৃত সাহিত্যের কথা - নিত্যানন্দ বিনোদ গোস্বামী.pdf/৩৪

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে চলুন অনুসন্ধানে চলুন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।

३४r সংস্কৃত সাহিত্যের কথা v অধিকাংশ তত্ত্বেই শৈব আর শাক্ত মতের মহিমা প্রকাশ হয়েছে। কাশ্মীরী পণ্ডিতদের হাতে শৈবতন্ত্রমত পরিপুষ্টি লাভ করে। শাক্তমত বিন্ধ্য পর্বতের দক্ষিণ ভাগে বেশি প্রচলিত হয় । বতমানে ভারতের সর্বত্র উপাসনার ক্ষেত্রে তন্ত্রমতেরই আদর দেখা যায়। বইও যেমন অসংখ্য তার আচার্যেরাও অসংখ্য। তার মধ্যে অভিনব গুপ্ত, ভাস্কর রায়, কেশব মিশ্র, জ্ঞানানন, পূর্ণানন্দ কৃষ্ণানন্দ প্রভৃতি আচার্যগণ বিখ্যাত । বৌদ্ধ ধর্মের সঙ্গে সঙ্গে বৌদ্ধ তন্ত্র ভারতের বাইরেও ছড়িয়ে যায়। এদের তন্ত্রের বইও কম নয়। এই যুগেই ( অর্থাৎ মধ্যযুগে ) আর-এক মতবাদ প্রবল হল যাকে বলে ভক্তিবাদ । শিব আর বিষ্ণুকে নিয়ে এর দুটো বড়ো ধারা চলেছে। বৈষ্ণব ধারা ক্রমে এত বড়ো আর ব্যাপক হয়ে উঠল যে শৈব ধারা স্নান হয়ে গেল। দক্ষিণ ভারতের আচার্ষেরাই এই ভক্তিবাদের প্রবর্তক । এই মতই ভারতে আজকাল সবচেয়ে প্রবল। মজার কথা যে খ্রীস্টান মিশনারীরা দাবি করেন যে ভক্তিবাদ নাকি খ্রীস্টমত থেকে উৎপন্ন, এসম্বন্ধে প্রমাণ প্রয়োগও যথেষ্ট করেছেন। ভক্তিবাদের মূল কথা ঈশ্বরের সঙ্গে সম্বন্ধ স্থাপন করে উপাসনা করা। এই भङ ঋগ বেদের মধ্যেও আছে। ঋগ বেদ খ্রীস্টজন্মের অনেক আগেকার । কাজেই উক্ত মিশনারী মত আশ্রদ্ধেয়। অবশ্ব এই ভক্তিবাদ দ্রাবিড়দের দ্বারা বিশেষ ভাবে পুনর্গঠিত। ஆழ் ভক্তিশাস্ত্রের উপযোগী প্রাচীনগ্রন্থ শাণ্ডিল্যস্বত্র আর নারদহুত্র। পঞ্চরাত্র গ্রন্থগুলিও এই মতের আশ্রয়। তারপর অসংখ্য ভক্তিগ্রন্থ পুরাণ প্রভৃতি অবলম্বন করে করা। ত্রৈমভাগবতই হল- এই মতের প্রধান গ্রন্থ। ब्रामाश्च बल्लड बैtsउछ अङ्कडि ऑफ़ारंश हेबख्द्र छौवनशड। ཨ་ཙི.༦ ༥ সব আচার্যদের শিষ্য প্রশিষ্য দ্বারা ভক্তিবাদ বিপুলতা লাভ করেছে। *.