পাতা:সংস্কৃত সাহিত্যের কথা - নিত্যানন্দ বিনোদ গোস্বামী.pdf/৪১

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে চলুন অনুসন্ধানে চলুন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।

6aiष कधी \OC: ग९५iांब ठूनकरण८छद्र ८छ८ग्र कभ ८बां५ श्ञ ना । नश्व नश्य दिशांशैौं ७ डांयाँ শ্রদ্ধাসহকারে পড়ে। কাজেই কী হিসাবে সংস্কৃত মৃতভাষা তা ঠিকমতে৷ বোঝা যায় না। স্থতরাং সংস্কৃতকে মৃতভাষা বলার চেয়ে “স্বপ্রাচীন” ভাষা বলাই বুদ্ধিমানের কাজ । 譽 নেপাল থেকে কুমারিকা আর বম্বে থেকে আসাম পর্যন্ত এই ভাষার চর্চা এখনো পুরোদস্তুর মতো বর্তমান। বিভিন্ন ভাষায় ভরা এই ভারতের প্রায় প্রত্যেক গ্রামে কোনো না কোনো সংস্কৃত জানা “পণ্ডিতজী* পাওয়া যায়ই কাজেই সংস্কৃত বলতে পারলে ভারতের এক প্রাস্ত থেকে আর এক প্রাস্ত পর্যন্ত অনায়াসে ঘুরে আসা চলে। অনেকে এখনো সংস্কুতে বিশেষভাবে প্রতিভার পরিচয় দিয়ে যাচ্ছেন কিন্তু তার খোজ রাখেন ক’জন । বিদেশীরাজকতা ও মিশনারীদের প্রভাবে সংস্কৃতের ওপর হালে-শিক্ষিত সাধারণের একটা অনাদর অবজ্ঞা বয়ে চললেও সংস্কৃতের গৌরব কিছুমাত্র ক্ষুঞ্জ হয়নি। বিদেশীয় মনীষীদের সংস্কৃতআলোচনা প্রভৃতি এদিকে দৃষ্টান্তস্বরূপে বতমান । আজকালকার শিক্ষিতদের মধ্যে বৈজ্ঞানিকভাবে ঐতিহাসিক দৃষ্টিতে সংস্কৃত আলোচনার পথ প্রদর্শক ইউরোপীয় পণ্ডিতরা । কিন্তু বিদেশী দৃষ্টিতে ভারতীয় সাহিত্যের সমালোচনায় এদেশি সহিত্যের মর্যাদা যে ঠিকমতো সবজায়গায় রক্ষা করা হয়নি সেকথা বলাই বাহুল্য। আধুনিক এদেশি পণ্ডিতেরা পাশ্চাত্ত্যপণ্ডিতদের মতই তাদের বইয়ে উদগীরণ করছেন। তার কারণ বোধ হয় মূলবইগুলি আদ্যোপাত্ত পাঠ করার সময় অভাব । তারপর ভারতবর্ষের এক এক প্রাস্তের আচার ব্যবহার বিভিন্ন। সমাজ ও ব্যবহারের প্রতিবিম্ব হল সাহিত্য । কাজেই অবস্তীপুরীর গণিকা বসন্তসেনার বিবাহিত হয়ে ভদ্রঘরের বধুরূপে পরিগণিত হওয়া যে সমস্ত ভারতের আচার নয় তা সহজেই বোঝা যায়। সুতরাং