পাতা:সংস্কৃত সাহিত্যের কথা - নিত্যানন্দ বিনোদ গোস্বামী.pdf/৭

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে চলুন অনুসন্ধানে চলুন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।

সংস্কৃত ভাষা ጙ ነ ሥ'ኳ ، بټنو ا۴هم4”ې. » دد ري: , ي কালচার বলতে যা বোঝায় তার বাংলা হোলো সংস্কৃতি । কাজেই সংস্কৃত ভাষা মানে কালচারড ল্যাংগোয়েজ, অর্থাৎ শিক্ষিতদের ভাষা। এ-ভাষার জার এক নাম দেবভাষা। সেদিক দিয়ে তার অর্থ হয় যে-ভাষা দেবতার উদ্দেশ্যে স্বাগ যজ্ঞে বলা হয়। অথবা দেব মানে বিদ্বান, তাদের যে-ভাষা সে ভাষা দেবভাষা। কাজেই সেকালে যিনি এই ভাষা জানতেন না, তিনি সভ্যসমাজে কোনো রকম সম্মানই পেতেন না। তারপর এই ভাষা এদেশের ভদ্রভাষাগুলির মধ্যে সবচেয়ে প্রাচীন। এখনো পর্যন্ত এই ভাষার পঠনপাঠন সমানভাবে চলে আসছে । আগেকার যুগে বই শুনে শুনে মুখস্থ করে রাখার নিয়ম ছিল এইজন্তে শাস্ত্রের নাম ছিল শ্রুতি, স্মৃতি । যিনি যত বই মুখস্থ রাখতে পারতেন তিনি ভত পণ্ডিত বলে গণ্য হতেন আর মুখে মুখেই এই ভাষা ভারতের একপ্রাস্ত থেকে অপর প্রাস্ত পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে। খ্রীস্টপূর্ব চারপাচ হাজার বছর আগেও এদেশে লেখার চলন ছিল কিন্তু সে লেখা আর্যদের নয় । তাতে সংস্কৃত ভাষার ধ্বনি লেখা সম্ভবপর ছিল না বলে মনে হয় । মহেঞ্জদাড়ো হরপ্পা খুঁড়ে যেসব মোহর পাওয়া গেছে তার ওপরকার লেখা এখনো পড়তে পারা যায়নি। কিন্তু তাতে প্রমাণ হয়ে গেছে যে অত আগেও এদেশে লেখার চলন ছিল তবুও সংস্কৃত শাস্ত্রগুলি মুখে মুখে চলত। সংস্কৃত ভাষা লেখা হয় অনেক পরে।

  • বইয়ের খোজ

সংস্কৃত লেখার চলন হবার পরেই বিদ্বানেরা নিজের নিজের মুখস্থ বই লিখে রাখেন। সংস্কৃতের নিজস্ব কোনো অক্ষর ছিল না । পণ্ডিতরা নিজের নিজের দেশের প্রচলিত অক্ষরে বই লিখতেন। সেইজন্যে যে-কোনো দেশের প্রাচীন বই দেখলেই দেখা যায় সেগুলি সে দেশের অক্ষরে লেখা ।