পাতা:সংস্কৃত সাহিত্যের কথা - নিত্যানন্দ বিনোদ গোস্বামী.pdf/৯

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে চলুন অনুসন্ধানে চলুন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।

সংস্কৃত ভাষা \ථ এখনো আবার নতুন নতুন বই আবিষ্কৃত হচ্ছে। আর নানা জায়গায় সন্ধানও মিলছে । সাংকৃত্যায়ন রাহুল সম্প্রতি আবার খোজ দিলেন যে তিব্বতে বহুতর সংস্কৃত বই রয়েছে যা এদেশে অজ্ঞাত। কাজেই মোটামুটি ধরলে প্রায় পঞ্চাশ হাজার ংস্কৃত বইয়ের নামধাম আমাদের হাতের কাছেই আছে। ১৮১৯ খ্ৰীঃ– সংস্কৃত বইয়ের প্রথম খোজ আরম্ভ হয় । জমন পণ্ডিত শ্লিগল প্রভৃতি অনেকেই উদ্যোক্তা ছিলেন। কিন্তু তখন ক-খানাই বা বই জানা গিয়েছিল । এখনো মঠ মন্দির স্তপের মধ্যে থেকে নতুন নতুন বই পাওয়া যাচ্ছে, এইরকম নতুন বই ভবিষ্যতে যে কত পাওয়া যাবে তা কে বলতে পারে। কিসের ওপর লেখা নানা জিনিসের ওপর এইসব সংস্কৃত বই লিখিত হোত, বেশির ভাগই তালপাতার ওপর লেখা। পাঞ্জাব আর কাশ্মীর বাদে ভারতের অন্যত্র তালপাতাই লেখার কাজে ব্যবহৃত হোত । উত্তর ভারতে তালপাতার ওপর কালি দিয়ে, আর দক্ষিণ ভারতে লোহার কলম দিয়ে তালপাতার ওপর অক্ষর কুদে তার ওপর ভুষো বুলিয়ে লেখা হোত ( এখনো হয় )। কালি দিয়ে লেখাকে লেপন, আর কুদে লেখাকে লেখন বলা যেতে পারে। লেপন থেকে লিপি, আর লেখন থেকে লেখা শব্দ চলিত হয়েছে। সবচেয়ে প্রাচীন তালপাতার বই যা পাওয়া গিয়েছে তা দ্বিতীয় খ্ৰীস্টাব্দের ৷ বই। মকার্ট সাহেব কাশগর থেকে যেসব পুরোনো হাতের লেখা বই সংগ্ৰহ করেছেন তার মধ্যে একখানা চতুর্থ খ্রীস্টাব্দে লেখা। প্রজ্ঞাপারমিত রহস্য ও উকীষবিজয়ধারণী নামে ষষ্ঠ খ্রীস্টাব্দে এদেশে লেখা দুখানা বই জাপানে সুরক্ষিত আছে ।