পাতা:সচিত্র কৃত্তিবাসী রামায়ণ -নয়নচন্দ্র মুখোপাধ্যায়.pdf/৫৫৬

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে চলুন অনুসন্ধানে চলুন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।

8Պ8 ്.ണ്ണി রাবণের কার্য্য সাধিস্ তপস্বীর বেশে । মম হাতে প’ড়ে আজি যাবি যমপাশে ॥ তোর ফল-ফুল বেটা টেনে ফেল দূর। মোর ঠাই আজি বেটা মায়া হবে চুর। তপস্বী ভাবিল, মায়া হইল বিদিত। ধরিল রাক্ষস-মূৰ্ত্তি অতি বিপরীত। অষ্টবাহু চারিমুণ্ড অষ্টট লোচন। হনুমান বলে, তোরে বধিৰ এখন ॥ প্রথমে গৌরব, (১) দ্বিতীয়েতে গালাগালি। তৃতীয়েতে ঠেলাঠেলি, পরে চুলচুলি৷ দুইজনে মল্লযুদ্ধ দুজনে সোসর। দুইজনে মহাযুদ্ধ পৰ্ব্বত-উপর ॥ ক্ষণে নীচে হনুমান, ক্ষণেক উপরে। টলমল করে গিরি দুজনার ভরে ॥ লাফ দিয়া হনুমান কালনেমি ধরে। বুকে হাটু দিয়া হনু কালনেমি মারে। লেজে জড়াইয়া তাকে ঘুরায় আকাশে । লঙ্কাতে ফেলিয়া দিল রাবণের পাশে ॥ গন্ধমাদন লঙ্কা পথ আঠার বৎসর। এতদূরে টেনে ফেলে রাবণ-গোচর। ব'সেছে রাবণ রাজা পাত্ৰ-মিত্র সনে । অন্ধকারে কালনেমি পড়ে মধ্যস্থানে ॥ কি পড়িল বলি সবে চমকিয়া উঠে। নেড়ে চেড়ে দেখে’ বলে কালনেমি বটে’ ৷ কালনেমি দেখে” রাবণের উড়ে প্রাণ। সৰ্ব্ব মায়া কৈল চূর্ণ বীর হনুমান ॥ হনুমান কর্তৃক সূৰ্য্যকে বক্ষতলে বন্দী করণ। লক্ষণে মারিয়া বাণ ভাবিছে রাবণ । उठांक प्रिंग्रां यांनिण यरङकcमदनं५ ॥ o cशौब्रव-चाम्रज्ञाषा । [णकांकां९ আপনি আইল ব্ৰহ্মা চড়ি রাজ-হংসে । আইলেন বিশ্বনাথ চড়ি বৃদ্ধ বৃষে ॥ ইন্দ্ৰ যম কুবেরাদি আইল পবন । कठन सूर्वी ठू'छान श्रांऎण उडणन ॥ রাবণ বলে, শুন বলি যত দেবগণ । ময়দানবের শেলে পড়েছে লক্ষণ ৷ আমার বচন শুন, বলি হে ভাস্কর । উদয় ফরহ গিয়া গিরির উপর। তোমার উদয় হ’লে মরিবে লক্ষণ । লক্ষ্মণ-মরণে রাম ত্যজিবে জীবন ৷ তুমি হও উদয় চন্দ্র থাকু এক ঠাই। তোমার উদয়ে লক্ষণ বঁাচিবেক নাই। একথা শুনিয়া তবে বলে দিবাকর । আমার বচন শুন লঙ্কার ঈশ্বর ॥ দ্বিতীয়-প্রহর রাত্রি হইল গগনে । এখন উদয় বল হইব কেমনে । রাবণ বলে, হৈল রাত্রি, কি ক্ষতি তোমার। মনে বুঝি অকুশল চিস্তম্ব আমার ॥ রাবণের কথা শুনি ভাস্করের ত্রাস । ভয়েতে চলিল সূৰ্য্য হইতে প্রকাশ ॥ সপ্ত ঘোড়া জোগান সূর্য্যের রথ বহে। কনক-রচিত-রখ ত্রিভুবন মোহে ॥ নানা রত্ন শোভা করে রথের উপর । উদয় হইতে যান দেব দিবাকর ॥ দিবাকর পূর্বদিক প্রকাশ করিল। তাহা দেখি হনুমান ভরাস পাইল । নেউটি উদয়গিরি করিল গমন । দিবাকর-সন্নিকটে দিল দরশন। রখ অগুলিয়া বীর দাড়ায় সম্বর । অচল হইল রণ, সারণি ফাফর ॥