পাতা:সচিত্র রেল অবতার - অনাথবন্ধু সেন.pdf/২০

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে চলুন অনুসন্ধানে চলুন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে, কিন্তু বৈধকরণ করা হয়নি।

১২

রেল অবতার।

right

প্রায় ভরে গেল। যাবার সময় তারবাবু সবাইকে বলে দিলেন, ‘এই জাগ্রত ঠাকুরকে পূজো দিলে, রোগ, শোক, ব্যাধি কিছুই থাকে না। ঠাকুর জীয়ন্ত দেবতা—আপনার আসার কথা আপনি জানিয়ে দেয়।

 লোকগুলো বিস্ময়ে অভিভূত হ’য়ে গেল।

 এই কথা গ্রামে গ্রামে রটে গেল, ললাকের সংখ্যা দিন দিন বাড়তে লাগলো। আতপ চাল, কলা, নানা রকম ফল—এমন কি, দু চার‍্টে পাঁটা পর্যন্ত পূজোর জন্য আসতে লাগল। এক খানা থালাতে পয়সা ধরেনা বলে, তিন চারটে থালা সাজিয়ে রাখতে হলো।

 তারবাবুও নানারকম করে, তাদের বিশ্বাস ক্রমেই বাড়িয়ে তুল‍্তে লাগলেন। স্টেশন-মাষ্টার ত হেসেই কুট‍্পাট্; বল্লেন—“ভারী ফন্দী ঠাউরেছেন বটে! এমনটি দিনকতক চল্লে, বস্তা করে আমাদের পয়সা রাখতে হবে।”

 * * * 

 একদিন একজন বুড়ো লোক দুহাঁড়ি নাটোরের কাঁচাগোল্লা, একখানি ভাল কাপড় ও একখানি ভাল চাদর, দুটো লোকের মাথায় দিয়ে নিয়ে এল। তারবাবুকে বল্লে—“বাবু, আমি বড়ই বিপদে পড়েছি। আজ জামাইষষ্ঠী—অথচ জামাইকে তত্ত্ব করা হয় নাই। মেয়ের আমার এই বছরই বিয়ে হয়েছে, —একটু ভাল ঘরেই দেওয়া গেছে। এই প্রথমবারেই যদি তত্ত্ব-তল্লাসী না করা হয়, তা’হলে আমার জাত মান কিছুই