অষ্টাদশ প্রবন্ধ । 一来零来濠一 সাকার উপাসনা । শাস্ত্রোপদিষ্ট দেবদেবীর মূৰ্ত্তিসকল বিশেষ করিয়া পরীক্ষা করিলে স্পষ্টই বুঝা যায় যে, কোন না কোন ভাবে ঈশ্বরকে উপাসকের মনে পরিস্ব ট কমই শাস্ত্রে মূৰ্ত্তিকল্পনার উদ্দেশ্য। জীবগণের মানসিক ক্ষমতা এক প্রকার নহে। একজন উচ্চাধিকারী সাধক ঈশ্বরবিষয়ক কোন একী তথ্য হস্ত সহজেই বুঝিতে পারেন, কিন্তু অপর সকলে সেই তথ্য সহজে বুঝিতে পারেন না । সুতরাং ভিন্ন ভিন্ন জীবের মানসিক উন্নতির পরিমাণের উপযোগী করিয়া শাস্ত্র ভিন্ন ভিন্ন দেবদেবীর কল্পনা ফররছেন । সম্প পাণক কোন এক ঈশস্তষ্ট বা শাস্ত্রকল্পিত মূৰ্ত্তিকে অখণ,ণ স্বরূপ রাখি। ঈশ্বর হিরণ্যগৰ্ভ বা বিরাট পুরুষকে ধ্যান করেন। সম্প' পাসনীয় উপাসকের মনে অবলম্বনট অপ্রধানভাবে থাকে এবং ঈশ্বর হিরণ্যগৰ্ভ বা বিরাট পুরুষই প্রধানভাবে থাকেন। এই উপাসনায় শালগ্রামশায় বিষ্ণুবুদ্ধি; দশভূজা-অস্ত্রধারিণী অম্বুরনাশিনী-মা দুর্গার প্রতিমায় বশ্ব ;াপনী সর্বশক্তিশালিনী-অবিদ্যানাশকারিণী-দয়াময়ী-দুৰ্গতি হারিণীজগক্ষাভ,মুদ্ধি; শ্বেত-ত্রিশূলডমরুকর-অৰ্দ্ধচন্দ্র বিভূষিত-ত্রিনেত্র-বৃভাসনস্থশস্তৃমূৰ্ত্তিত, শুদ্ধ সত্বময়-অঞ্জাননাশক-হুষ্টিকৰ্ত্ত-জ্ঞাননেত্র-বিজ্ঞান, চেতন এবং অচেতনভাবে প্রকাশিত,তপ সত্য দয়া এবং শৌচসম্পন্ন ধাৰ্ম্মিকগণের মনে বিরাজত, মঙ্গলময় ঈশ্বরের বুদ্ধি হয় । এই উপাসক গোপালতাপনী উপনিষদ্ভুক্ত * চতুভুজ শঙ্খ-চক্র-ধনু-পদ্ম-গদা-কেয়ূন্ধাদি বিভূষিত নারায়ণমূৰ্ত্তি দেখিলে মনে করেন—
- অনেক পণ্ডিতেরা গোপালতাপনী উপনিষদকে আধুনিক ও প্রক্ষিপ্ত মনে করেন এবং তজ্জন্ত উক্ত উপনিষদ কে প্রমাণস্বরূপ গ্রহ করেন না।