বিষয়বস্তুতে চলুন

পাতা:সরল বেদান্ত দর্শন.djvu/৪৯

উইকিসংকলন থেকে
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।

*jथं**ा ©सूझ । ৩৭ যাহার আশ্রয়ে জীবিত থাকে, এবং অন্তকালে যাহাতে লয় প্রাপ্ত হয়, উহাকে জানিতে ইচ্ছা কর, তিনি ব্ৰহ্ম” এই প্রতিবাক্যটা ব্ৰন্ধের লক্ষণবাচক ; এবং (৩) ব্রহ্মজিজ্ঞাসু ভৃগুমুনি তপ করিয়া “আনন্দই ব্ৰহ্ম” ইহা জানিতে পারিলেন ; সেই আনন্দ হইতেই ভূত সকলের স্বষ্টি হয়, আনন্দ দ্বারা তাহারা জীবিত থাকে এবং অন্তকালে আনন্দেই তাহারা লয়প্রাপ্ত হয়—এই শ্রতি ব্রহ্মের স্বরূপনির্ণয় বাক্য। উক্ত শ্রতিবাক্যগুলি পরীক্ষা করিলে স্পষ্ট বুঝা যায় যে প্রথম স্বত্রোক্ত ব্রহ্মজিজ্ঞাসা (ব্রহ্মকে জানিবার ইচ্ছা ) ও দ্বিতীয় স্থত্রোক্ত জন্মাদি (জন্ম প্রভৃতি) ও যতঃ ( যাহা হইতে ) এই কথাগুলি ব্রহ্মের লক্ষণবাচক শ্রতিবাক্যটর অন্তর্ভূত। বাস্তবিক উক্ত শ্রতিবাক্যগুলি অবলম্বন করিয়াই এই দুইট স্বত্র উপনিবদ্ধ হইয়াছে। ছানোগ্য উপনিষদের তৃতীয় প্রপাঠকের চতুর্দশ খণ্ডেও ব্রহ্মের লক্ষণবাচক এইপ্রকার শ্রুতি আছে। “এই সমস্তই ব্ৰহ্ম ; যেহেতু এই সমস্ত জগৎ ব্ৰহ্ম হইতে জন্মিয়াছে, ব্রহ্মে লয় পাইবে, এবং ব্রহ্মে প্রতিষ্ঠিত আছে।” ব্রহ্মের স্বরূপ নির্ণয় বাক্যও অন্তান্ত শ্রুতিতেও আছে। ঐতরেয় উপনিষদ, বলিয়াছেন—“চিৎ বা প্রজ্ঞানই ব্ৰহ্ম।”কঠোপনিষদ, বলিয়াছেন—“সেই ব্ৰহ্মকে কেহ বাক্যদ্বারা ব্যক্ত করিতে পারে না, চক্ষুদ্বারা দেখিতে পায় না, অন্ত কোন ইন্দ্রিয়দ্বারা গ্রহণ করিতে পারে না এবং মনেও কেহ তাহাকে ধারণ করিতে পারে না। তিনি আছেন অর্থাৎ তিনি সৎ এই জ্ঞান ব্যতিরেকে তাহাকে উপলব্ধ করিবার আর কি উপায় হইতে পারে?” এই সমস্ত শ্রুতিবাক্য হইতে ইহাই স্থির হয় যে, সচ্চিদানন্দই ব্রহ্মের স্বরূপ ; এবং সমস্ত জগৎ র্তাহ কর্তৃক স্বঃ হয়, তাহাতে প্রতিষ্ঠিত থাকে, এবং তাহাতে লয় প্রাপ্ত হয় ইহা তাহার লক্ষণ। স্মৃতিতেও এই প্রকার বাক্য দেখা যায়। vভগবদগীতা ৰলিয়াছেন—“আমা হইতেই সমস্ত জগতের উৎপত্তি হয় এবং আমাতেই ইহ লয় পাইয়া থাকে। হে ধনঞ্জয়! আমা হইতে পৃথক কোন বস্তু নাই। যেমন স্বত্রে মণি সকল গাথা থাকে সেই প্রকার এই সমস্ত জগৎ আমাতে প্রতিষ্ঠিত।” বিষ্ণুপুরাণে আছে—“যিনি এই