( >> ) হইলে তাহার উচ্চারণ হয় না। স্পষ্ট মূল বর্ণের ন্যায় উচ্চtরণ হয়। যথা—কয়, স্পষ্ট লিখিলে কখনই ক্য উচ্চারণ হইতে পারে না । স্পষ্ট ককার ও য়কারের উচ্চারণ হইয়া থাকে । এই রূপ স্বরসংযুক্ত বর্ণদ্বয়কেও পৃথকরূপে লেখা যাইতে পরে না। তাহা হইলে সেই বর্ণদ্বয়ের যুগপৎ উচ্চারণ হয় ন। স্পষ্ট দুই বর্ণের উচ্চারণ হইয় থাকে। যথ—কই এই দুই বর্ণ পৃথক পৃথক লিখিলে কি এই রূপ উচ্চারণ হইতে পারে না । হল বর্ণ স্বরের অপ্ৰয় ব্যতীত কদাপি উচ্চারিত হইৰার উপায় নাই ; এজন্য বৈয়াকরণ ও কবিদিগের মতে স্বরসংযুক্ত হল বর্ণ যুক্তাক্ষর মধ্যে গণ্য হয় না। কোন বর্গীয় দ্বিতীয় বর্ণের দ্বিভাব হইলে প্রথম বর্ণের সহিত মিলিত হয়, এবং চতুর্থ বর্ণের দ্বিভাব হইলে তৃতীয় বর্ণের সহিত মিলিত হয়। যথা–ছছ চ্ছ ইচ্ছ, ঝর জন্ম কুজশ্নটিকা, থৰ্থ থ উথান ইত্যাদি । যে বর্ণে রেফ যুক্ত হয়, তাহার বিকল্পে দ্বিভাব হয়; অর্থাৎ রেফ যুক্ত হলবর্ণ একটা ব, দুইটা লিখিলেও লেখা যাইতে পারে। দুই প্রকারেই ব্যাকরণদুষ্ট হয়ু না। যথা—দুর্গ বা দুর্গ, শৰ্ম্ম বা শর্ম ইত্যাদি। কিন্তু এই রূপ দুই প্রকারে লেখার ব্যবহার নাই । পুর্বাপর শিষ্ট পরম্পরায় যে শব্দকে,দ্বিভাবে লেখার ব্যবহার অাছে, তাহাকে দ্বিভাবে লেখ কৰ্ত্তব্য । যে শব্দকে
পাতা:সরল ব্যাকরণ - প্রথম ভাগ.pdf/২০
অবয়ব