পাতা:সাহিত্যের পথে - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/১০৮

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


Y ob· সাহিত্যের পথে laugher of all— বলছেন, আমি সবার চেযে বডো হাসিযে, স্বর্যের চেযে বড়ো, ওক গাছের চেযে, ব্যাঙের চেযে, অ্যাপলে দেবতার চেযে। Than the frog and Apollo – gồi gws sisi #f5 1 offzg. কেউ মনে করে, কবি মিঠে করে সাজিযে কথা কইছে। ব্যাঙ না বলে যদি বলা হত সমুদ্র তা হলে এখনকার যুগ আপত্তি করে বলতে পারত, ওটা দস্তরমত কবিযান । হতে পারে, কিন্তু তার চেযে অনেক বেশি উলটোৰ্ছাদের দস্তুরমত কবিযান হল ঐ ব্যাঙের কথা । অর্থাৎ, ওটা সহজ কলমের লেখা নয, গাযে পড়ে পা মাড়িযে দেওযা। এইটেই হালের কাষদা । কিন্তু কথা এই যে, ব্যাঙ জীবটা ভদ্র কবিতাষ জল-আচরণীষ নয এ কথা মানবার দিন গেছে। সত্যের কোঠাষ ব্যাঙ অ্যাপলোর চেযে বডো বই ছোটো নষ । আমিও ব্যাঙকে অবজ্ঞা করতে চাই নে। এমনকি, যথাস্থানে কবিপ্রেষসীর হাসির সঙ্গে ব্যাঙের মকৃমকৃ-হাসিকে এক পংক্তিতেও বসানো যেতে পারে, প্রেষসী আপত্তি করলেও। কিন্তু অতিবডে বৈজ্ঞানিক সাম্যতত্ত্বেও যে হাসি স্বর্যের, যে হাসি ওক-বনস্পতির, যে হাসি অ্যাপলোর, সে হাসি ব্যাঙের নয। এখানে ওকে আনা হযেছে জোব করে মোহ ভাঙবার জন্তে। মোহেব আবরণ তুলে দিযে যেটা যা সেটাকে ঠিক তাই দেখতে হবে। উনবিংশ শতাব্দীতে মাযার রঙে যেটা রঙিন ছিল আজ সেটা ফিকে হযে এসেছে, সেই মিঠের আভাসমাত্র নিযে ক্ষুধা মেটে না, বস্তু চাই । ‘প্রাণেন অর্ধভোজনং’ বললে প্রায বারো আনা অত্যুক্তি কবা হয। একটি আধুনিক মেষে-কবি গত যুগের মুন্দরীকে খুব স্পষ্ট ভাষায যে সম্ভাষণ করেছেন সেটাকে তর্জমা করে দিই। তর্জমায মাধুরী সঞ্চার করলে বেখাপ হবে, চেষ্টাও সফল হবে না।—