পাতা:সাহিত্যের পথে - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/১৩২

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


সাহিত্যের পথে אס\ מ ছিল তাদের বেষ্টন করে। আজ তার কোনো চিহ্নই নেই। কেবল এমন সব সামগ্ৰী আজও আছে যাদের তার ছিল না, বস্তু ছিল না, দায় ছিল না, সৌজন্তের অত্যুক্তি দিয়ে সমস্ত দেশ যাদের অভ্যর্থন করেছে— যেমন করে আমরা সন্ত্ৰমবোধের পরিতৃপ্তি সাধন কঞ্জি রাজচক্রবর্তীর নামের আদিতে পাঁচটা ঐ যোগ করে। দেশ তাদের প্রতিষ্ঠিত করেছিল অতিশষের চুড়ায ; সেই নিম্নভূমির সমতলক্ষেত্রে নয যেখানে প্রাত্যহিক ব্যবহারের ভিড়। মানুষের ব্যক্তিস্বরূপের যে পরিচয় চিরকালের দৃষ্টিপাত স্য, পাথরের রেখায, শব্দের ভাষায তারই সমূবর্ধনাকে স্বামী রূপ ও অসীম মূল্য দিযে রেখে গেছে। যা কেবলমাত্র স্থানিক, সামযিক, বর্তমান কাল তাকে যত প্রচুর মূল্যই দিক, দেশের প্রতিভার কাছ থেকে অতিশযের সমাদর সে স্বভাবতই পাষ নি, যেমন পেযেছে জ্যোৎস্নারাতে ভেসে-যাওযা নৌকোর সেই সারিগান— মাঝি, তোর বৈঠা নে রে, আমি আর বাইতে পারলাম না । যেমন পেযেছে নাইটিঙ্গেল পাখিব সেই গান, যে গান শুনতে শুনতে কবি বলেছেন তার প্রিযাকে— Listen Eugenia, How thick the burst comes crowding through the leaves. Again— thou hearest ? Eternal passion Eternal pain পূর্বেই বলেছি রসমাত্রেই, অর্থাৎ সকলরকম হৃদযবোধেই, আমরা বিশেষভাবে আপনাকেই জানি, সেই জানাতেই বিশেষ আনন্দ । এইখানেই