পাতা:সাহিত্যের পথে - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/১৩৫

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


সাহিত্যতত্ত্ব 〉Vう@ বাসরশযন করেছি রচন কুসুমথরে ; দুযার রুধিযা রেখেছি তারে গোপন ঘরে যতনভরে । শেষে মুখের শযনে শ্রান্ত পরান আলসরসে আবেশবশে । পরশ করিলে জাগে না সে আর, কুমুমের হার লাগে গুরুভার, ঘুমে জাগরণে মিশি একাকার নিশিদিবসে ; বেদনাবিহীন অসাড় বিরাগ মরমে পশে আবেশবশে । তাই ভেবেছি আজিকে খেলিতে হইবে নুতন খেলা রাত্রিবেলা । মরণদোলায ধরি রশিগাছি বসিব দুজনে বডো কাছাকাছি, ঝঞ্জা আসিযা অট্ট হাসিযা মারিবে ঠেলা ; প্রাণেতে আমাতে খেলিব দুজনে ঝুলনখেলা নিশীথবেলা । আমাদের শাস্ত্র বলেন : তং বেদ্যং পুরুষং বেদ যথা মা বো মৃত্যুঃ পরিব্যথাঃ । সেই বেদনীয পুরুষকে জানো যাতে মৃত্যু তোমাকে ব্যথা না দেয । বেদনা অর্থাৎ হৃদযবোধ দিযেই র্যাকে জানা যায জানো সেই পুরুষকে, অর্থাৎ পারসোন্তালিটিকে। আমার ব্যক্তিপুরুষ যখন অব্যবহিত অনুভূতি দিযে জানে অসীম পুরুষকে, জানে হৃদ মনীষা মনসা, তখন তার মধ্যে নিঃসংশযরূপে জানে আপনাকেও। তখন কী হয়। মৃত্যু অর্থাৎ