পাতা:সাহিত্যের পথে - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/১৩৯

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


সাহিত্যতত্ত্ব ১৩৯ a-șFl-fFF et Ft* off Ti tease us out of thought as doth eternity. ও পারেতে কালো রঙ । বৃষ্টি পড়ে ঝম্ ঝম্‌। এ পারেতে লঙ্কাগাছটি রাঙা টুক্‌টুকু করে— গুণবতী ভাই, আমার মন কেমন করে। এর বিষয়টি অতি সামান্ত । কিন্তু ছন্দের দোল খেয়ে এ যেন একটা স্পর্শযোগ্য পদার্থ হয়ে উঠেছে, ব্যাকরণের ভুল থাকা সত্ত্বেও । ডালিমগাছে পর্ভু নাচে, তাকৃধুমাধুম বাপ্তি বাজে। শুনে শিশু খুশি হয়ে ওঠে। এ একটা সুস্পষ্ট চলন্ত জিনিস, যেন একটা ছন্দে-গড়া পতঙ্গ ; সে আছে, সে উড়ছে, আর-কিছুই নয়, এতেই কৌতুক। তাই শিশুকাল থেকে মানুষ বলছে ‘গল্প বলো’ ; সেই গল্পকে বলে রূপকথা। রূপকথাই সে বটে, তাতে না থাকতে পারে ঐতিহাসিক তথ্য, না থাকতে পারে আবশুক সংবাদ, সম্ভবপরতা সম্বন্ধেও তার হয়তো কোনো কৈফিয়ত নেই। সে কোনো-একটা রূপ দাড় করায় মনের সামনে, তার প্রতি ঔৎসুক্য জাগিয়ে তোলে, তাতে শূন্তত দূর করে ; সে বাস্তব । গল্প শুরু করা গেল— এক ছিল মোটা কেঁদো বাঘ, গায়ে তার কালো কালো দাগ । বেহারাকে খেতে গিয়ে ঘরে আয়নাটা পড়েছে নজরে । এক ছুটে পালালে৷ বেহার", বাঘ দেখে আপন চেহারা ।