পাতা:সাহিত্যের পথে - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/২৬৬

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


२.0.७ সাহিত্যের পথে ১৫ কবির অভিভাষণ প্রবাসী ১৩৩৪ ফাঙ্কন ১৬ সাহিত্যরূপ প্রবাসী ১৩৩৫ বৈশাখ ১৭ সাহিত্য-সমালোচনা প্রবাসী ১৩৩৫ জ্যৈষ্ঠ ১৮ পঞ্চাশোধৰ্ম বিচিত্রা ১৩৩৬ ফাঙ্কন ১৯ বাংলাসাহিত্যের ক্রমবিকাশ বিচিত্রা ১৩৪১ মাঘ ‘বাস্তব’ ও ‘কবির কৈফিযত প্রবন্ধদ্বযের, প্রথম সংস্করণে মুদ্রিত পাঠের পরিবর্তে, ‘সবুজ পত্র মাসিক পত্রে প্রকাশিত সাধুভাষায লিখিত মূলপাঠ এই গ্রন্থে সংকলিত হইযাছে। ‘বাস্তব প্রবন্ধের আরম্ভের নুতন অনুচ্ছেদটিও সবুজ পত্র’ হইতে। উক্ত প্রবন্ধের স্বচনাতেই রবীন্দ্রনাথ বলিযাছেন যে, ‘আজকাল বাংলাদেশে কবিব যে সাহিত্যের স্মৃষ্টি করিতেছে তাহাতে বাস্তবতা নাই, তাহা জনসাধারণেব উপযোগী নহে, তাহাতে লোকশিক্ষার কাজ চলিবে না’ এমন কথা ‘একেবাবে আমারই নাম ধবিযা’ কেহ কেহ প্রযোগ করিতেছেন। এই প্রসঙ্গে শ্রীরাধাকমল মুখোপাধ্যায মহাশযের ‘প্রবাসী’তে প্রকাশিত ( ১৩২১ জ্যৈষ্ঠ, পু ১৯৫-২০৩) “লোকশিক্ষক বা জননাযক এবং ‘সবুজ পত্র’ মাসিক পত্রিকায প্রকাশিত (১৩২১ মাঘ, সাহিত্যে বাস্তবতা’ প্রবন্ধ দুইটি দ্রষ্টব্য। ‘প্রবাসী’ব‘ (۹۵۰-وان به : প্রবন্ধটিতে লেখক সুস্পষ্ট অভিযোগ করিযাছিলেন যে, ‘রবীন্দ্র-সাহিত্য সার্বজনীন নহে?— ‘ববীন্দ্রনাথ দরিদ্রের ক্ৰন্দন শুনিযাছেন। তিনি দৈন্তের মধ্যে ‘বিশ্বাসের ছবি আঁকিযাছেন। তিনি মৃত্যুঞ্জয়ী আশার সংগীত গাহিযাছেন। কিন্তু সে ছবি, সে সংগীত, জনসাধারণকে, সমগ্র জাতিকে, স্পর্শ করিতে পারে নাই।’ ২ গ্রীরাধাকমল মুখোপাধ্যায় -প্রণীত বর্তমান বাংলা সাহিত্য’ গ্রন্থে সংকলিত।