পাতা:সাহিত্যের পথে - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/২৬৭

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


গ্রন্থপরিচষ ९6. १ ‘সাহিত্য’ ‘তথ্য ও সত্য? এবং ‘স্মৃষ্টি'— এই তিনটি প্রবন্ধ ১৩৩০ সালের ১৮, ১৯ ও ২০ ফান্ধন তারিখে কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে কথিত তিনটি বক্তৃত । সেনেট হলে বক্তৃত হইবার অব্যবহিত পরে প্রথম ও দ্বিতীয় বক্তৃতার অনুলিখন ‘সাহিত্যের মূলতত্ত্ব’ ও ‘সাহিত্যের রসতত্ত্ব’ নামে ১৩৩০ ফান্ধনের “পরিচারিকা" পত্রিকাষ সর্বাগ্রে বাহির হয় । তৃতীয বস্তৃতাটি ‘সাহিত্য' নামে ১৩৩১ বৈশাখের পল্লীশ্ৰী’তে প্রকাশিত হয। এই প্রসঙ্গে ১৩৩১ সালে ‘প্রবাসী'র জ্যৈষ্ঠ ও আষাঢ় সংখ্যায ‘কষ্টিপাথর অংশ ( পু ২০১-২০৩ ও ৩৪৮-৩৫২ ) দ্রষ্টব্য। সম্ভবতঃ উক্ত অনুলিখন যথাযথ হয নাই বিবেচনা করিষা ‘বঙ্গবাণী’র জন্য রবীন্দ্রনাথ স্বযং বক্তৃতা তিনটি নুতন করিষা লিখিযা দিযাছিলেন। ‘সাহিত্য প্রবন্ধের কযেকটি বর্জিতাংশ ‘বঙ্গবাণী’ হইতে নিম্নে মুদ্রিত হইল । স্থচনাংশ : আমি অনেক দিন থেকেই প্রতিশ্রুত আছি যে, এই বিশ্ববিদ্যালযমন্দিরে কিছু বলব। এতদিন সেই প্রতিশ্রুতি আমি রক্ষা করতে পারি নি, তার কারণটা আমার প্রকৃতিগত । আপনারা অনেকেই হযতো জানেন যে, বাল্যকাল হতেই আমি স্কুল পালিযে বেডিযেছি, পারতপক্ষে বিদ্যামন্দিরের সীমানায ধরা দিতে চাই নি। এখন আমার এই ব্যসে যখন আমার বিশ্ববিদ্যালযে ধরা পড়বার সম্ভাবনা হল তখন দিনের পর দিন কেবলই আমার প্রতিশ্রুতির দিন পিছিযে দিচ্ছি— ওটা সুদ্ধ ভীরুতাবশত । আজকার দিনে বিশ্ববিদ্যালযে কিছু বলতে হলে শ্রোতা ও বক্তার সম্মান-রক্ষার্থে লিখে বলাই উচিত। নিজে নানা দিক থেকে চিন্তা করে, আর এই বিষযে অন্য অন্য সবাই কে কী বলেছেন তা সংগ্রহ ও তুলনা ক’রে, আলোচনাটা বেশ ভালো রকম ক’রে করা উচিত। এই-সব নানা কথা ভেবেই তো আমি দীর্ঘকাল অপেক্ষা করেছি। Y a