পাতা:সাহিত্যের পথে - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/২৮৪

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


२१8 সাহিত্যের পথে অতঃপর বিভিন্ন রচনা সম্বন্ধে বিবিধ জ্ঞাতব্য তথ্য সংকলন করা যাইতেছে — ‘সভাপতির অভিভাষণ’ ও ‘সভাপতির শেষ বক্তব্য’– কাশীতে উত্তরভারতীয বঙ্গসাহিত্যসম্মিলনে কথিত রবীন্দ্রনাথের বক্তৃতার আংশিক অনুলিখন মাত্র। বক্তৃতা দুইটি ইংরেজি ১৯২৩ সালের মার্চ মাসে যথাক্রমে ৩ ও ৪ তারিখে কথিত । এই সম্মিলনে অভ্যর্থনাসমিতির সভাপতি ছিলেন পণ্ডিত প্রমথনাথ তর্কভূষণ ঃ ১৬৬ পৃষ্ঠার প্রথম অনুচ্ছেদে র্তাহারই কথা বলা হইযাছে। ১৩৩২ সালে বঙ্গীয সাহিত্যসম্মিলনের শিউড়ি-অধিবেশনে রবীন্দ্রনাথ সভাপতি হইবেন, এইরূপ কথা হইযাছিল। ‘সাহিত্যসম্মিলন’ সেই উপলক্ষে রচিত । ‘কবির অভিভাষণ’, প্রেসিডেন্‌সি কলেজের রবীন্দ্র-পরিষদের সভাপতি শ্ৰীমুরেন্দ্রনাথ দাসগুপ্তের অভ্যর্থনার উত্তরে বলা হইযাছিল , দ্বিতীয অনুচ্ছেদে ‘আমাব বন্ধু’ বলিযা তাহারই উল্লেখ আছে । আলোচ্য রচনাটি উক্ত মৌখিক অভিভাষণের কবিকৃত অনুলেখন। প্রথম ‘রবীন্দ্রপরিষদ-নিষ্ক্রান্তি’-রূপে ও ‘রবীন্দ্র-পরিষদে কবির অভিভাষণ’ নামে উহ স্বতন্ত্র পুস্তিকাকারে প্রকাশিত হয । ‘সাহিত্যরূপ’ এবং ‘সাহিত্য-সমালোচনা’ প্রবন্ধ দুইটি বিশ্বভারতীসম্মিলনীর উদ্যোগে অনুষ্ঠিত আলোচনাসভার দুইটি বিশেষ অধিবেশনের রবীন্দ্রনাথ-লিখিত বিবরণ । “সাহিত্যধর্ম’-প্রকাশের ফলে সাহিত্যিকদের মধ্যে যে আলোড়ন জাগিযাছিল তাহার পরিণামে বাংলার প্রবীণ ও নবীন সাহিত্যিকদের মধ্যে সম্মিলিত আলোচনার উদ্দেশ্যে এই সভা আহবান করা হয। জোড়াসাকোয বিচিত্রাভবনে বিশ্বভারতী-সম্মিলনীর ঐ দুইটি অধিবেশনে ( ৪ ও ৭ চৈত্র ১৩৩৪ ) সভাপতি তথা স্বত্রধারের কর্তব্য সম্পাদন করেন স্বযং রবীন্দ্রনাথ ।